রাওয়ালপিন্ডিতে টস জিতে আগে বোলিং নেওয়ার সিদ্ধান্তটা শ্রীলঙ্কার কাছে নিশ্চয়ই ভালো মনে হয়েছিল। কিন্তু ম্যাচ গড়াতেই বোঝা গেল, ভুলটা হয়ে গেছে শুরুতেই। ব্যাটে পাকিস্তান তুলল ৩ উইকেটে ২১৫ রান, জবাবে ৭ উইকেটে ১৩৩ রানে থামল লঙ্কানরা। ৮২ রানের বড় জয়ে সিরিজও নিজেদের করে নিল পাকিস্তান।
আগের ম্যাচের মতো এবারও ঝড় তুললেন অধিনায়ক সাহিবজাদা ফারহান আর মাজ সাদাকাত। ফারহান ৩২ বলে পঞ্চাশ ছুঁয়ে থামলেন ৪৪ বলে ৭৩ রানে, পাঁচটি ছক্কা আর চারটি চারে সাজানো ইনিংস। তিনি আউট হওয়ার পরও থামেনি পাকিস্তান, কারণ সাদাকাত তখন গিয়ার বদলে ফেলেছেন। টানা দ্বিতীয় ফিফটি পেরিয়ে শেষ ওভারে এসে দাঁড়ালেন সেঞ্চুরির দোরগোড়ায়, কিন্তু শেষ বলে আউট হলেন ৯৬ রানে। ৫১ বলের ইনিংসে সাতটি ছক্কা ছিল। শেষ ছয় ওভারে এল ৮৪ রান, শ্রীলঙ্কার বোলাররা তখন আর কোনো উত্তরই খুঁজে পাচ্ছিলেন না।

জবাবে শুরুটাই হলো ভেঙে পড়ার। প্রথম ওভারেই ফিরে গেলেন লাহিরু উদারা। তারপর মোহাম্মদ ইমরান রান্ধাওয়া এসে একে একে তুলে নিলেন তিন উইকেট, চার ওভারে মাত্র ১১ রানে। সিরিজে এটা তাঁর দ্বিতীয় ম্যাচ, অভিষেকের পর এমন বোলিং সহজ কথা না। দশ ওভারে স্কোর দাঁড়াল ৪ উইকেটে ৬৪, আর ম্যাচটা তখনই কার্যত শেষ।
শেষের দিকে মহেশ তিকশানা ২৬ বলে অপরাজিত ৩২ রানে একটু আশা জাগিয়েছিলেন, কিন্তু সেটা ম্যাচের গল্প বদলানোর মতো কিছু না। পাকিস্তান যেন আগেই বড় লক্ষ্য দিয়ে ম্যাচটা পকেটে পুরে রেখেছিল।











