পিএসজির এ কেমন দুরবস্থা!

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, গ্রুপ পর্ব শেষে শীর্ষ আট দল সরাসরি খেলবে রাউন্ড অব সিক্সটিনে। পরবর্তী ষোল দল থেকে প্লে-অফের ভিত্তিতে বেছে নেয়া হবে আরো আট দল। অর্থাৎ সেরা ২৪ এর মধ্যে থাকতে না পারলে বিদায় বলে দিতে হবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগকে। এমন অভিজ্ঞতার সাক্ষী হতে না চাইলে নাসের আল খেলাইফির দলকে দিতে হবে অগ্নিপরীক্ষা!

বার্সেলোনার বিপক্ষে লজ্জাজনক পরাজয়ের পর নড়েচড়ে বসেছিল বায়ার্ন মিউনিখ। এরপর থেকে একে একে ছয় ম্যাচের সবকয়টিতে জয় তুলে নেয় তাঁরা। জার্মান প্রতিনিধিদের জয় রথ থামাতে পারেনি ফরাসি জায়ান্ট প্যারিস সেন্ট জার্মেইনও, উল্টো হেরে বসেছে ১-০ ব্যবধানে। এর ফলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দ্বিতীয় রাউন্ডে তাঁদের খেলা নিয়েই শঙ্কা জেগেছে।

টুর্নামেন্টে উড়ন্ত সূচনা পেয়েছিল পিএসজি, নিজেদের প্রথম ম্যাচে জিরোনাকে হারায় তাঁরা। কিন্তু এরপরই ঘটে ছন্দপতন, আর্সেনাল এবং অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের কাছে হেরে বসে তাঁরা। এমনকি জিততে পারেনি তুলনামূলক খর্ব শক্তির পিএসভির বিপক্ষেও। সবমিলিয়ে নড়বড়ে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল তাঁদের সামনে।

সেই পরিস্থিতি আরো খারাপ হলো বায়ার্নের বিপক্ষে পরাজয়ের পর; পাঁচ ম্যাচ শেষে স্রেফ চার পয়েন্ট নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে তাঁদের। আর টেবিলে তাঁদের অবস্থান এখন ২৬ নম্বরে, তবে শাখতার ডোনেস্ক কিংবা জিরোনা তাঁদের পরবর্তী ম্যাচ জিতলে অবস্থানের অবনতি ঘটবে আরো।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, গ্রুপ পর্ব শেষে শীর্ষ আট দল সরাসরি খেলবে রাউন্ড অব সিক্সটিনে। পরবর্তী ষোল দল থেকে প্লে-অফের ভিত্তিতে বেছে নেয়া হবে আরো আট দল। অর্থাৎ সেরা ২৪ এর মধ্যে থাকতে না পারলে বিদায় বলে দিতে হবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগকে। এমন অভিজ্ঞতার সাক্ষী হতে না চাইলে নাসের আল খেলাইফির দলকে দিতে হবে অগ্নিপরীক্ষা!

বায়ার্নের বিপক্ষে অবশ্য দলটির ফরোয়ার্ডরা ছিল একদম নিষ্প্রাণ। ব্র্যাডলি বারকোলা ৭৭ মিনিট পর্যন্ত খেলে পাস দিয়েছেন স্রেফ নয়টা, গোল মুখে শট নিতে পারেননি একটাও। ওসমান ডেম্বেলে তো আরো এক কাঠি সরেস, অহেতুক ফাউল করে ৫৭ মিনিটের মধ্যে জোড়া হলুদ কার্ড হজম করে বসেছিলেন। দশ জন নিয়ে ম্যাচে ফেরাটা তো এমনিই অসম্ভবের কাছাকাছি।

হ্যারি কেইন, লিরয় সানেও হতাশ করেছেন এদিন; তবে শেষমেশ পার্থক্য গড়ে দিয়েছে মিন জা কিমের হেডার। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ক্যারিয়ারে এটি তাঁর প্রথম গোল। এরই সুবাদে স্বস্তির জয় পেলো বাভারিয়ানরা।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link