ওপেনিংয়ে রোহিত না বিরাট, কিপিংয়ে কে?

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করতে যাচ্ছে ভারত, হাতে এক সপ্তাহও সময় নেই। কিন্তু এখনও দলটির ব্যাটিং অর্ডার ঠিক হয়নি, বিশেষ করে ওপেনিংয়ে কারা খেলবেন সেটি চূড়ান্ত করতে পারেনি টিম ম্যানেজম্যান্ট। খুব সম্ভবত অধিনায়ক রোহিত শর্মার সঙ্গে যশস্বী জয়সওয়াল ইনিংসের সূচনা করবেন, তবে আইপিএলে বিরাট কোহলির পারফরম্যান্স নতুন ভাবনার জন্ম দিয়েছে।

তাই তো এখন ওপেনার ‘রোহিত নাকি বিরাট’ এমন প্রশ্ন উঠেছে ভারতীয় ক্রিকেটাঙ্গনে। দেশটির সাবেক ক্রিকেটার ওয়াসিম জাফর অবশ্য জয়সওয়ালের সঙ্গে কোহলিকেই দেখতে চান। তিনি বলেন, ‘আমার মতে, বিরাট ও জয়সওয়ালের ওপেনিং করা উচিত। পরিস্থিতি অনুযায়ী রোহিত এবং স্কাই তিন ও চারে ব্যাট করবে – রোহিত স্পিন ভাল খেলে, চার নম্বরে খেলা তাঁর জন্য কঠিন হবে না।’

পরিসংখ্যানও অবশ্য ওয়াসিমের পক্ষে কথা বলছে। এখন আটবার মিডল অর্ডারে ব্যাট করেছেন হিটম্যান, এসময় ৩১ গড় আর ১২৩ স্ট্রাইক রেটে রান করেছেন তিনি। অন্যদিকে, উদ্বোধনী ব্যাটার হিসেবে কোহলির গড় ৫৭.১৪ আর স্ট্রাইক রেট ১৬১.২৯।

একইভাবে উইকেটরক্ষক কে হবেন সেটি নিয়ে আলোচনা চলমান আছে টিম ইন্ডিয়ার ড্রেসিংরুমে। সাঞ্জু স্যামসন আর ঋষাভ পান্ত দু’জনেই ছন্দে আছেন, তবে কম্বিনেশন অনুযায়ী কেবল একজনকেই খেলানো সম্ভব হবে।

এক্ষেত্রে যুবরাজ সিংয়ের পছন্দ পান্তকেই। কারণটা একেবারে সোজা, ভারতীয় ব্যাটিং লাইনআপে ডানহাতি ব্যাটারের আধিক্য বেশি। তাই বৈচিত্র্যের জন্যই দিল্লি ক্যাপিটালসের দলপতিকে বেছে নিয়েছেন তিনি।

এই তারকা অলরাউন্ডার বলেন, ‘আমি হলে ঋষাভকে একাদশে রাখতাম। সাঞ্জুও ফর্মে আছে তবে ঋষাভ বাঁ-হাতি। আর আমার বিশ্বাস, দলকে জেতানোর যথেষ্ট প্রতিভা আছে তাঁর মাঝে। যেটা সে ইতোমধ্যে প্রমাণ করেছে। টেস্ট ক্রিকেটের মতই বড় মঞ্চেও সে নিশ্চিতভাবেই একজন ম্যাচ উইনার হবে।’

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link