পাঁচবার পাওয়া জীবনের অপব্যবহার করলেন সাইফ!

একবার নয়, দুইবার, তিনবারও নয়, গুণে গুণে পাঁচবার জীবন পেয়েছেন সাইফ হাসান। একটা টি-টোয়েন্টি ম্যাচে এতগুলো সুযোগ পাওয়ার পর অবশ্য সাইফের ব্যাট থেকে এসেছে ৪৫ বলে ৫৫ রান। এমন হতাশাজনক পারফরম্যান্স বোধহয় দুনিয়ায় আর নেই।

একবার নয়, দুইবার, তিনবারও নয়, গুণে গুণে পাঁচবার জীবন পেয়েছেন সাইফ হাসান। একটা টি-টোয়েন্টি ম্যাচে এতগুলো সুযোগ পাওয়ার পর অবশ্য সাইফের ব্যাট থেকে এসেছে ৪৫ বলে ৫৫ রান। এমন হতাশাজনক পারফরম্যান্স বোধহয় দুনিয়ায় আর নেই।

ব্যাট-প্যাঁচের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন, কোনোমতেই রান পাচ্ছেন না ব্যাটে। ফরম্যাট যাই হোক, কোনোমতেই ১২ ইনিংস ধরে ফিফটি নেই টি-টোয়েন্টিতে। তবুও এশিয়া কাপের সাফল্য কাজে লাগিয়ে দলে কোনোমতে টিকে আছেন। যার খেসারতও দিতে হচ্ছে বাংলাদেশকে।

তানজিদ হাসান তামিমের সঙ্গে ওপেনিংয়ে নেমে টিকে ছিলেন ১২০ রান পর্যন্ত। স্কোরকার্ড দেখে যে কেউ ভাবতে বাধ্য, কোন এক অসাধ্য বোধহয় সাধন হয়েছে। তবে আদতে কিছুই না।

একের পর এক সুযোগ তুলে দিয়েছেন জিম্বাবুয়ের ফিল্ডারদের উদ্দেশে। তারাও বোধহয় পণ করেছিল, সাইফের ক্যাচ তারা ধরবে না। অনেকটা পাড়ার ক্রিকেটের মতো বল খাওয়ানোর জন্য তাঁকে ক্রিজে রাখতে হবে। সাইফও বোধহয় জিম্বাবুয়ের বিশ্বাসের প্রতিদান দিয়েছেন, পাঁচবার জীবন পেয়েও সে জীবনের পুঙ্খানুপুঙ্খ অপব্যবহার করেছেন।

৪৫ বলে ৫৫ রান। বাউন্ডারি আর ওভার-বাউন্ডারি মিলিয়ে সংখ্যাটা মাত্র নয়, যেখান থেকে রান এসেছে ৩৮। না পেরেছেন সিঙ্গেল নিতে, না পেরেছেন স্ট্রাইক রেটটাকে একটু ভদ্রস্থ করতে। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের এই যুগে এটাই বরং অপরাধ। এরপর এতগুলো জীবন পাওয়া। এ যেন কুৎসিততম এক ইনিংসের দৃশ্যায়ন ঘটালেন সাইফ।

তিনি যেমন জোর করে টিকে আছেন, বাংলাদেশের টিম ম্যানেজমেন্টও বোধহয় আশা নিয়ে বেঁচে আছে। একদিন সাইফের ব্যাটে সুদিন আসবে। তবে সে আশা প্রতিনিয়ত পরিণত হচ্ছে নিরাশায়, কে জানে এর শেষটা কোথায়!

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link