প্রাণপণ চেষ্টা করেও ট্রফিটা ছোঁয়া হলো না সাকিবের!

দলকে ফাইনালে তোলার নায়ক ছিলেন সাকিব আল হাসান। হয়তো মনের মধ্যে ট্রফিটাকে ছুঁয়ে দেখার তীব্র বাসনা জেগেছিল। শেষপর্যন্ত সেটা আর হলো না, ব্যাট হাতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েও হারটাকে আর এড়ানো গেল না।

দলকে ফাইনালে তোলার নায়ক ছিলেন সাকিব আল হাসান। হয়তো মনের মধ্যে ট্রফিটাকে ছুঁয়ে দেখার তীব্র বাসনা জেগেছিল। শেষপর্যন্ত সেটা আর হলো না, ব্যাট হাতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েও হারটাকে আর এড়ানো গেল না।

এমআই মিরেটসের সামনে ফাইনাল জয়ের হাতছানি, সাথে কোয়ালিফায়ারে হারার প্রতিশোধস্পৃহা তো ছিলই। তবে সাকিবের সামনে সুযোগ পুরোটা এলো কই?

বল হাতে পেলেন মোটে এক ওভারের জন্য। তাও আবার ইনিংসের প্রথম ওভারেই এলেন। একটা ছয় হজম করলেও শেষপর্যন্ত ওভার শেষে খরচা হলো দশ রান। বাকিটা সময় আর বল হাতে ওঠেনি। অপেক্ষাটা বাড়ল ব্যাট হাতে কখন আসবেন তিনি।

বেশি সময় অপেক্ষা অবশ্য করতে হয়নি। ১৮৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে পঞ্চম ওভারের মাথায় নামতে হলো সাকিবকে। পজিশনটা চার নম্বর, দলের গুরুদায়িত্ব তাঁর কাধেই। আগের ম্যাচে ব্যাট হাতে নিজের জাত চিনিয়েছিলেন, এবারও যে আরও একবার সে সুযোগ সামনে এলো।

ভাঙনের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা দলের কাণ্ডারির ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন সাকিব। একপাশে সহযোদ্ধাদের ঝরে পড়া দেখলেন, নিয়তি যে তখন পরাজয়ের দিকেই নিয়ে যাচ্ছিল দলকে। একটা শেষ চেষ্টাস্বরূপ নিরুপায় সেনা রুখে দাঁড়ালেন প্রতিপক্ষের সামনে।

উইকেট হারানো যাবে না, আবার রান-রেটের চাপ। সাকিব বেছে নিলেন সহজ পথ। মারার বলটা ঠিকই গেল সীমানার বাইরে আর ভালোটাকে পরিণত করলেন সিঙ্গেল, ডাবলসে। যতটা সম্ভব ইনিংসটাকে গুটিয়ে আনার চেষ্টা করে গেলেন পুরোটা সময়।

তবে শেষমেষ হার মানতে হলো তাঁকে। ২৭ বলে ৩৬ রানের ইনিংস খেলে থামলেন তিনি, ওটাই যে দলের মধ্যে সর্বোচ্চ স্কোর। মাথা নিচু করে সাজঘরে যখন ফিরছিলেন দলের সম্ভাবনাটাও নিজের সাথেই নিয়ে গেলেন হয়তো। এরপর আর দীর্ঘস্থায়ী হলো না ম্যাচ। ব্যাটাররা একে একে আত্মাহুতী দিলেন। ভাইপার্সের হাতেই উঠলো ট্রফিটা।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link