পেস বোলিং কোচ হিসেবে বাংলাদেশ দলের সাথে ভালো সময়ই কাটাচ্ছিলেন শন টেইট। সাবেক এই অস্ট্রেলিয়ান ফাস্ট বোলার বেশ উপভোগ করছিলেন সময়টা। কৃতিত্ব যারই হোক, বাংলাদেশের এক ঝাক পেসারের উত্থান ঘটেছে তার এই সময়ে। বিশেষ করে নাহিদ রানা তাকে বিরাট খ্যাতি এনে দিয়েছেন। তারপরও শট টেইট কেন হঠাৎই বাংলাদেশ ছেড়ে গেলেন?
আপাতত এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে দ্বিধান্বিত বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। তবে উত্তরটা জটিল নয়। অর্থ বা পেশাগত প্রাপ্তি মূলত নয়; স্ত্রীর টানে ভারতে পাড়ি দিলেন টেইট। তার স্ত্রী ভারতীয় মডেল ও ব্যবসায়ী মাসুম সিংঘা। ২১০৪ সালে বিয়ের পর থেকে একসাথে খুব বেশি টানা সময় কাটানো হয়নি দু জনের। এবার বাংলা দলের বোলিং কোচ হওয়ার সুযোগটা তাই টেইটের জন্য সংসার করার সুযোগ হয়ে এসেছে।

২০১০ সালে আইপিএল খেলার সময় ইঞ্জিনিয়ার মাসুম সিংগহার পরিচয় টেইটের। পরের দু বছর দু জনে চুটিয়ে প্রেম করেন। ২০১২ সালের দিকে দু জন বাগদানও সেরে ফেলেন। ২০১৪ সালে প্রথমে ক্যাথলিক মতে, পরে হিন্দু মতে দু জনের বিয়ে হয়। দু দুবার বিয়ে হলেও টানা এক সাথে থাকার সুযোগ খুব বেশি হয়নি। কারণ, দু জনই যার যার পেশা নিয়ে খুব ব্যস্ত।
পাইলট বাবার মেয়ে মাসুম সিংগহা ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন পেশায়। কিন্তু বড় বোন শমিতাকে দেখে চলে আসেন মডেলিংয়ে। ২০০১ সালে শমিতা সিংগহা মিস ‘মিস আর্থ ইন্ডিয়া’ হয়েছিলেন। এরপর থেকে দু বোন একসাথে চুটিয়ে মডেলিং করেছেন।

মাসুম অবশ্য পরে ব্যবসায় বেশি মন দেন। মূলত ওয়াইন ব্যবসায়ী হিসেবে বেশ ভালো নামডাক করে ফেলেন। পরে টেইটের সাথে মিলে হোটেল ব্যবসাও শুরু করেন। মেলবোর্নসহ কয়েকটা শহরে তাদের বেশ জমকালো হোটেল আছে। এতো কিছুর পরও দু জনের জগতের মিলটা হচ্ছিলো না।
অবশেষে রঞ্জি দল বাংলার বোলিং কোচ হওয়ার সুযোগটা টেইটকে একটু থিতু করলো। বাংলাদেশের ভালো প্রোফাইলের চাকরি ছেড়ে ভারতের রাজ্য দলে ছুটলেন স্ত্রীর কাছাকাছি থাকার জন্য। এবার যদি মডেলিংটাও শেখেন টেইট!











