ভারতকে পেলেই শতক হাঁকিয়েছেন যাঁরা

বাইশ গজে অনেক কিংবদন্তিই ভারতের বোলিং আগ্রাসনকে রীতিমতো বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে শতক হাঁকিয়েছেন অনেকবার৷ ভারতের বিপক্ষে সবচেয়ে বেশি শতক হাঁকানো ব্যাটারদের তালিকাটা দেখে নেওয়া যাক।

বাইশ গজে অনেক কিংবদন্তিই ভারতের বোলিং আগ্রাসনকে রীতিমতো বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে শতক হাঁকিয়েছেন অনেকবার৷ ভারতের বিপক্ষে সবচেয়ে বেশি শতক হাঁকানো ব্যাটারদের তালিকাটা দেখে নেওয়া যাক।

  • জো রুট – ১২টি শতক

এই তালিকার শীর্ষে আছেন ইংল্যান্ডের জো রুট। ভারতের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ১২টি শতক হাঁকিয়েছেন এই ডানহাতি ব্যাটার। ক্লাসিকাল ব্যাটিং স্টাইল আর ধারাবাহিকতা তাঁকে পৌঁছে দিয়েছে অনন্য উচ্চতায়।

ম্যানচেস্টারে তার সর্বশেষ শতকটি ছিল ১২ নম্বর, আর সেটিই তাঁকে এককভাবে এই তালিকার শীর্ষে নিয়ে আসে। ভারতের বিপক্ষে তার মোট রান ৩,০০০’রও বেশি, গড় প্রায় ৬০!

  • স্টিভেন স্মিথ – ১১টি শতক

আধুনিক সময়ের সেরা টেস্ট ব্যাটারদের একজন স্টিভ স্মিথ। ভারতের বিপক্ষে তার রেকর্ডও অসাধারণ। মাত্র ২৪ টেস্টেই ১১টি শতক! রান ২,৩৫৬, গড় ৫৮.৯০।

২০২৩ সালের ওভালের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে জিতিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়াকে। এরপর ২০২৪–২৫ সালের বর্ডার-গাভাসকার ট্রফিতেও হাঁকান আরও দুই শতক।

  • রিকি পন্টিং – ৮টি শতক

পরের নামটাই আছেন অজি গ্রেট রিকি পন্টিং। টেস্টে ভারতকে সামনে পেলেই যেন নিজেকে আলাদা করে মেলে ধরতেন। ২৯ টেস্টে করেছেন ২,৫৫৫ রান, গড় ৫৪.৩৬, শতক ৮টি। ঘরের মাঠ কিংবা বিদেশ—সব কন্ডিশনেই পন্টিং ছিলেন ভারতের বিপক্ষে এক ভয়ংকর নাম।

  • ভিভিয়ান রিচার্ডস – ৮টি শতক

স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস, ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ব্যাটার, যার ভারতের বিপক্ষে রয়েছে অবিশ্বাস্য সব রেকর্ড। ৭০–৮০’র দশকে নিয়মিত ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট লড়াইয়ে রিচার্ডস ছিলেন ভারতের দুঃস্বপ্ন। তার সংগ্রহ ১,৯২৭ রান, গড় ৫০.৭১—আর তার মধ্যে রয়েছে ৮টি শতক।

  • গ্যারি সোবার্স – ৮টি শতক

স্যার গারফিল্ড সোবার্স, ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডারদের একজন, ভারতের বিপক্ষে টেস্টে হাঁকিয়েছেন ৮টি শতক। ক্যারিয়ারে ভারতের বিপক্ষে তার রানসংখ্যা ১,৯২০, গড় ৮৩.৪৭—অবিশ্বাস্য!

তাঁর এই ৮ শতকের রেকর্ডটি এক সময় ভারতের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ছিল, যা অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে টিকে ছিল। শেষমেশ ২০২২ সালে এজবাস্টনে জো রুট তার ৯ম শতক হাঁকিয়ে এই রেকর্ড ভেঙে দেন।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

আফগান ঘূর্ণির মায়াজালে ধরাশায়ী হবে মিরাজ-রাজারা?

তবে স্পিনের লড়াইয়ে বাংলাদেশকেও খাটো করে দেখার অবকাশ নেই। দুই বছরের ওয়ানডে পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশের স্পিনাররা শিকার করেছেন মোট ৮২টি উইকেট। যদিও চলতি বছরে ১২ ম্যাচে স্পিন থেকে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ২৬ উইকেট, ২০২৫ সালে ১১ ম্যাচে রিশাদ, মিরাজ, তানভীর, নাসুমদের শিকার ছিল ৫৬ উইকেট। গত বছর বাংলাদেশের অধিকাংশ ম্যাচেই স্পিন সহায়ক উইকেট থাকলেও চলতি বছরে দলটি খেলেছে তুলনামূলক স্পোর্টিং উইকেটে। ফলে কন্ডিশনের সহায়তা পেলে বাংলাদেশের স্পিনাররাও যে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপে বিপর্যয় নামিয়ে আনতে সক্ষম, তার ইঙ্গিত মিলছে পরিসংখ্যানেই। রিশাদ হোসেনের আক্রমণাত্মক লেগ স্পিন, মেহেদী হাসান মিরাজের নিয়ন্ত্রিত অফ স্পিন, তানভীর ইসলামের বাঁহাতি অর্থোডক্স স্পিনের সঙ্গে নতুন সংযোজন রহস্য স্পিনার আলিস আল ইসলাম। বৈচিত্র্য আর কৌশলের সমন্বয়ে প্রতিপক্ষকে মরণকামড় দিতে মরিয়া থাকবে বাংলাদেশও।

Share via
Copy link