ডাকের মিছিল…

১৬৬ রান তাড়া নেমে যখন টপ অর্ডারের সবাই শূন্য রানে সাজঘরে ফেরে তখন ভবিতব্য কি? উত্তর, বাংলাদেশের মতো বেহাল দশা। তানজিদ তামিম, লিটন দাস, সাইফ হাসান তিনজনই ডাক মেরেছেন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। নিজেদের অপারগতার সর্বোচ্চটাই উজাড় করে দিয়েছেন তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে, এরপর কি আর কিছু বাকি থাকে?

১৬৬ রান তাড়া নেমে যখন টপ অর্ডারের সবাই শূন্য রানে সাজঘরে ফেরে তখন ভবিতব্য কি? উত্তর, বাংলাদেশের মতো বেহাল দশা। তানজিদ তামিম, লিটন দাস, সাইফ হাসান তিনজনই ডাক মেরেছেন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। নিজেদের অপারগতার সর্বোচ্চটাই উজাড় করে দিয়েছেন তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে, এরপর কি আর কিছু বাকি থাকে?

সেমিফাইনালেও এই তিন ব্যাটার মোটা দাগে ব্যর্থ ছিলেন। সাইফ কেবল ১৯ করেছিলেন, তামিম সাত আর লিটন দুই। আবার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচেই এই তিনজন নামলেন ‘ডাক’-এর মিছিলে। শূন্য, শূন্য, শূন্য। দলের তিন স্তম্ভের কাছ থেকে এমন পারফরম্যান্স দেখলে বলার মতো কোনো ভাষা থাকে কি?

টেস্ট, ওয়ানডে কিংবা টি-টোয়েন্টি, ফরম্যাট যাই হোক একটা দলের সাফল্য নির্ভর করে টপ অর্ডারের উপর। তারা ভালো শুরু এনে দিলেই সব সহজ হয়ে যায়। বাকি পথ সহজেই পাড়ি দেওয়া যায়। তবে বাংলাদেশকে টপ অর্ডার ছাড়াই মূলত খেলতে হয়।

সাইফ হাসান ব্যর্থতার চক্রে আটকে আছেন। এশিয়ান গেমসের আগে তাঁকে নিয়ে সংশয় ছিল পারবেন তো? পারলেন না, আরও একবার ব্যর্থতার পাল্লাটাকেই ভারী করলেন। লিটনও ছন্দে ছিলেন না। দলনেতার কাছে প্রত্যাশা বেশি থাকবে, তবে তিনিই বেশি ডোবালেন দলকে। এমনকি নেতৃত্ব নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্নবোধক চিহ্ন রয়ে গেছে।

সর্বশেষ তানজিদ তামিম, পুরনো রোগটায় সামনে আনলেন। সারা বছর ভালো খেললেও বড় ইভেন্ট আসলেই মুখ থুবড়ে পড়েন তিনি। সেই ধারা বজায় রেখেছেন এই ম্যাচেও। এমন হতশ্রী পারফরম্যান্সের খেসারত বাংলাদেশকে দিতে হলো দুই ম্যাচ হেরেই।

এর সমাধান আসলে কি? সমস্যা কোথায়? কেন চাপ সামলাতে পারেন না ক্রিকেটাররা? মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা নাকি তাদের সক্ষমতাটাই এতটুকু? এর উত্তর অজানা। তবে এই অজানা উত্তর যতদিন না জানা সম্ভব ততদিন বড় ইভেন্টে বাংলাদেশকে এভাবেই হোঁচট খেতে হবে বারবার।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link