কোপা আমেরিকার সেরা শিকারী

কোপা আমেরিকার ইতিহাসে সবচাইতে বেশি গোল কে করেছেন? এই রেকর্ড কোন একজনের দখলে নেই। যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা আর্জেন্টিনার নর্বের্তো মেনদেজ ও ব্রাজিলের জিজিনহো। দুজনেই প্রায় একই সময়ে খেলেছেন নিজ নিজ জাতীয় দলের হয়ে। তবে ট্রফি জয়ের দিক দিয়ে এগিয়ে আছেন মেনদেজ।

  • নর্বের্তো মেনদেজ (আর্জেন্টিনা)

তার পুরো নাম নর্বের্তো দরোতেও মেনদেজ, তবে তুচো নামে তিনি পরিচিত ছিলেন। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে তিনি আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার হিসেবে খেলতেন। ক্যারিয়ারে (১৯৪৫-৫৭) ৩৩ ম্যাচে করেছিলেন ১৯ গোল যার মধ্যে ১৭ গোলই তিনি করেছেন কোপা আমেরিকায়।

নিজ দেশের হয়ে তিনি ৩টি কোপা আমেরিকা শিরোপা (১৯৪৫, ১৯৪৬, ১৯৪৭) জিতেছেন। এর মধ্যে তিনি ১৯৪৫-এর কোপায় ৭ গোল করে ব্রাজিলের এলেনো দে ফ্রেইতাস-এর সাথে যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা হন। ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ক্লাসিকোতে হ্যাটট্রিক করার দুর্লভ রেকর্ড আছে তাঁর।

  • জিজিনহো (ব্রাজিল)

পুরো নাম থমাস সোয়ারেস দা সিলভা। ব্রাজিল জাতীয় দলে আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার হিসেবে খেলেছেন ১৯৪২ থেকে ১৯৫৭ পর্যন্ত, ৫৩ ম্যাচে তিনি ৩০ গোল করেছেন। তাঁর অসাধারণ ড্রিবলিং, পাসিং, প্লে-মেকিং, শুটিং এবং সেই সাথে ম্যান মার্কিং কোয়ালিটির জন্য কিংবদন্তি পেলে তাঁকে একজন আদর্শ মনে করতেন।

১৯৫০ সালের বিশ্বকাপে তিনি নজরকাড়া পারফর্মেন্স উপহার দেন। শেষ মুহূর্তে দলে নেয়ার কারণে তিনি ১৯৫৪ ও ১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপের ব্রাজিল দল থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেন। কোপা আমেরিকায় ১৭ গোল করে তিনি যৌথভাবে শীর্ষ গোলদাতা হয়ে আছেন।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link