যে বন্ধন মুগ্ধতা ছড়ায় ইংরেজ ভুবনে

দারুণ এক জয়ের পর এখন উচ্ছ্বসিত ইংল্যান্ড টেস্ট দল, অধিনায়ক বেন স্টোকসও আছেন ফুরফুরে মেজাজে। এরই মাঝে কথা বলেছেন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) তাঁর ফ্রাঞ্চাইজি চেন্নাই সুপার কিংসকে নিয়ে; জানিয়েছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি আর স্টিফেন ফ্লেমিং সম্পর্কে নিজের মতামত।

প্রথমেই হলুদ জার্সিতে নিজের পারফরম্যান্স সম্পর্কে স্টোকস বলেন, ‘আমরা জয়ের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করেছি, আর এভাবেই আমি টিএফসি পুরষ্কার পেয়েছি। এটা হলো থ্যাংকস ফর কামিং পুরষ্কার, আঘাত এবং ইনজুরি শঙ্কার কারণে আসলে আমি যেভাবে চেয়েছিলাম সেভাবে অনেক কিছু করতে পারেনি।’

তবে চেন্নাইয়ের হয়ে খেলাটাই বিশেষ কিছু এমনটা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘চেন্নাইয়ের মতো অসাধারণ ফ্র্যাঞ্চাইজির অংশ হওয়া দারুণ একটা ব্যাপার। এর আগে পুনেতেও আমি (স্টিফেন) ফ্লেমিং এবং ধোনিরর সাথে কাজ করেছিলাম।’

এই অলরাউন্ডার আরও যোগ করেন, ‘আমি মনে করি এই দুজনে যেভাবে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে তা বলার মত নয়। তাঁরা যেভাবে সিদ্ধান্ত নেয় তাতে তাঁদের উপর কোচ এবং অধিনায়ক হিসেবে এমনিতেই আস্থা তৈরি হয়। এমএস মাঠের বাইরে থাকলেও যেভাবে খেলা নিয়ে আবেগ অনুভব করে সেটা আমরা সাধারণত সাইড লাইনে বসে থাকলে করি না।’

চেন্নাইয়ের কোচই অধিনায়কের সম্পর্কের সঙ্গে ইংলিশদের লাল বলের টিম ম্যানেজম্যান্টের তুলনা করেছেন এই তারকা। তিনি বলেন, ‘আমি এবং বাজ (ম্যাককালাম) সব সময় একটি জিনিস করার চেষ্টা করি সেটা হলো সব সময় দলের স্বার্থ মাথায় রাখা। ধোনি এবং ফ্লেমিং যে সিদ্ধান্তই নেয় বা যে সিদ্ধান্তই খুব দ্রুত নিতে হয়, সেটা সর্বদা দলের জন্য কোনটা সেরা তার উপর নির্ভর করে। এটা এমন একটা ব্যাপার যা আমি এবং বাজ সব সময় অনুসরণ করার চেষ্টা করি।’

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link