টেস্টে আবারও ফিরবেন কোহলি?

বিরাট কোহলিকে সাদা পোশাকে ফিরিয়ে আনতে শেষ চেষ্টা করছে বোর্ড অব কনট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া(বিসিসিআই)।

বিরাট কোহলিকে সাদা পোশাকে ফিরিয়ে আনতে শেষ চেষ্টা করছে বোর্ড অব কনট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই)। টেস্টে বিদায় বলে দেওয়া কোহলি কি এই ডাকে সাড়া দেবেন, আবারও ব্যাট হাতে টেস্টের চার নম্বর পজিশনে নেমে পড়বেন মাঠে? সে সম্ভাবনা এখনও নিভে যায়নি।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২০ জুন থেকে শুরু হবে টেস্ট সিরিজ। ভারতীয় দলে যখন কোহলির জায়গায় নতুন কাউকে ব্যাট হাতে নামতে দেখা যাবে, তখন সেটা শুধু দলের জন্যই নয়, ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্যও হবে এক কঠিন বাস্তবতা। চার নম্বরে ১৮ নম্বর জার্সি গায়ে কোহলিকে না দেখার যন্ত্রণা আলাদা করেই হয়তো অনুভব করবে সবাই।

তবে এতকিছুর পরেও আশা ছেড়ে দিচ্ছে না ভারতীয় বোর্ড। আইপিএল চেয়ারম্যান অরুণ ধুমাল সামনে এসে দিয়েছেন এক ইতিবাচক বার্তা। তিনি সরাসরি অনুরোধ করেছেন কোহলিকে— টেস্ট ক্রিকেটে ফেরার কথা ভাবতে। যদিও ধুমাল বর্তমানে বিসিসিআইয়ের কোনো পদে নেই, তবুও আইপিএল বোর্ডের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় তার বক্তব্য গুরুত্ব পাচ্ছে।

ধুমাল বলেন, ‘বিরাট ক্রিকেটের একজন মহান দূত। তিনি ক্রিকেটের জন্য যা করেছেন, তা অনন্য। আমি বলব, ক্রিকেটে কোহলি হচ্ছেন ঠিক যেমন টেনিসে ফেদেরার বা জোকোভিচ। এমন একজন কিংবদন্তিকে আমরা আরও কিছুদিন মাঠে দেখতে চাই। তার টেস্ট অবসর সিদ্ধান্ত ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে অনুরোধ করছি।’

বয়সটা ছাড়িয়েছে ৩৬ বছর, কিন্তু ফিটনেসে তিনি এখনো অনেক তরুণ ক্রিকেটারকে টেক্কা দিতে পারেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিরাট যেভাবে নিজের ফিটনেস ধরে রেখেছে, তাতে মনে হয় সে এখন আগের থেকেও বেশি শক্তিশালী ও মনোযোগী। এমন একজন ক্রিকেটারকে খেলা ছেড়ে যেতে দেওয়া খুব কঠিন।’

টেস্টে বিদায় বলার আগে টি-টোয়েন্টিতেও অবসর নেওয়ায় এখন কোহলিকে দেখা যাচ্ছে কেবল ওয়ানডে ও আইপিএলে। তবে নতুন আলোচনায়— যদি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু(আরসিবি) এবারের আইপিএলে শিরোপা জেতে, তবে কি কোহলি আইপিএল থেকেও বিদায় নেবেন? এমন প্রশ্নে ধুমাল বলেন, ‘আমি এমন কিছু ভাবিও না, চাইও না। কোহলিকে ক্রিকেট মাঠে আরও বহুদিন দেখতে চাই আমরা সবাই।’

তবে সব ছাপিয়ে প্রশ্নটা এক জায়গাতে আটকে রয়েছে — কোহলি সত্যিই কি টেস্টে অবসর ভেঙে ফিরবেন? চিরচেনা ১৮ নম্বর গায়ে জড়িয়ে ড্রেসিংরুম থেকে ব্যাট হাতে বাইশ গজে আরও একবার আসবেন?

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link