বিসিবির সামনে তিন মাসের বিরাট ‘মাইনাস’ চ্যালেঞ্জ

এর আগে গেল তিন মাসের সমাধান তো চাই। খেলোয়াড়রা যেসব ক্ষেত্রে মাইনাস দিয়েছে, তাঁর সমাধান কি তিন মাসেই করে ফেলতে পারবে বিসিবি?

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) চালু করেছে নতুন উদ্যোগ—‘শেয়ার অ্যান্ড কেয়ার’। লক্ষ্য একটাই—খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ, টিম ম্যানেজমেন্ট আর বোর্ড কর্মকর্তাদের নিয়ে খোলামেলা আড্ডা।

সরাসরি কথা বলা, সমস্যার জায়গা তুলে ধরা আর সমাধানের পথ খোঁজা। যদিও, শেয়ারিং অ্যান্ড কেয়ারিংয়ের আড়ালে নিজেদের অবকাঠামো নিয়ে একটা সার্ভে করতে চেয়েছে বিসিবি, যেখানে ক্রিকেটারদের মন খুলে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়।

সোনারগাঁও হোটেলে বসা এই বৈঠকে ছিলেন বিসিবি সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম। জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা হাতে পেলেন একটি ফর্ম। তাতে মূলত ছিল সুযোগ-সুবিধা নিয়ে প্রশ্ন। বেশির ভাগ উত্তরেই খেলোয়াড়রা দিয়েছেন ‘মাইনাস’।

খেলোয়াড়দের মতামত নিতে একটা মার্কিং সিস্টেম রাখা হয়েছিল—১ থেকে ৫ পর্যন্ত। মানে সবচেয়ে খারাপ থেকে সেরা। একজন খেলোয়াড় স্পষ্ট বলেছেন, ‘ফ্যাসিলিটিজ আর অনেক কিছু নিয়েই প্রশ্ন ছিল। আমরা বেশির ভাগকেই মাইনাস দিয়েছি।’

আরেকজন যোগ করলেন, ‘জিম আছে, কিন্তু আরও অনেক কিছু দরকার। আমাদের তো সুইমিং পুলই নেই। খাবার আর নিউট্রিশন নিয়েও আলোচনা হয়েছে।’

মিরপুর নামে হোম অব ক্রিকেট হলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে এর অবকাঠামো বৈশ্বিক মানকে ছুঁতে পারে না। বৈঠকে উঠে আসে আরেকটা দাবি—ভালো উইকেট, বিশেষ করে মিরপুরে। খেলোয়াড়রা বলেছেন, অনুশীলনের জন্য উপযুক্ত উইকেট না থাকাটা বড় সমস্যা।

বিসিবি সভাপতি বৈঠক শেষে জানান, এমন আলোচনা তারা নিয়মিত করতে চান। তিন মাস পর আবার ডাকা হবে খেলোয়াড়দের, দেখা হবে কতটা অগ্রগতি হয়েছে। তবে, এর আগে গেল তিন মাসের সমাধান তো চাই। খেলোয়াড়রা যেসব ক্ষেত্রে মাইনাস দিয়েছে, তাঁর সমাধান কি তিন মাসেই করে ফেলতে পারবে বিসিবি?

Share via
Copy link