রক্ষা পেল মাসুদ-রিজওয়ানের অধিনায়কত্ব!

পাকিস্তান ক্রিকেটে অধিনায়কত্বের পালা বদলের গুঞ্জনকে একেবারেই ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। অর্থাৎ সাদা পোশা কে শান মাসুদের উপরই ভরসা রাখছে, সেই সাথে রিজওয়ানের অধিনায়কত্ব এ যাত্রায় বেঁচে গেল।

পাকিস্তান ক্রিকেটে অধিনায়কত্বের পালা বদলের গুঞ্জনকে একেবারেই ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। অর্থাৎ সাদা পোশাকে শান মাসুদের উপরই ভরসা রাখছে, সেই সাথে রিজওয়ানের অধিনায়কত্ব এ যাত্রায় বেঁচে গেল।

সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান ক্রিকেটে ব্যর্থতার পাল্লাই বেশি ভারি। যেন কোনো কিছুতেই সমাধান করতে পারছে না কেউ। তাই তো ছাটাই করা, সরিয়ে দেওয়ার অভিযান চলছেই। আর তাঁরই জের ধরে আবারও আলোচনায় এসেছিল টেস্ট এবং ওয়ানডে ফরম্যাটে অধিনায়কত্ব বদলের গুঞ্জন।

বর্তমান টেস্টের দায়িত্ব আছে শান মাসুদের কাঁধে। তবে পরিসংখ্যানের বিচারে তাঁর সাফল্যের হার দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে। এখন পর্যন্ত ১২ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে জয় পেয়েছেন মাত্র ৩ ম্যাচে, বাকি নয়টিতে হার। অর্থাৎ সাফল্যের হার মাত্র ২৫ শতাংশ। তাই তো তাঁর জায়গায় সৌদ শাকিলকে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে শোনা যাচ্ছিল।

অন্যদিকে মোহাম্মদ রিজওয়ানের অবস্থানটাও বেশ নড়বড়ে। তাঁর হাত ধরে ২০ ম্যাচে পাকিস্তানের জয় এসেছে মাত্র ৯ ম্যাচে, বিপরীতে হারের সংখ্যাটা ১১। সেই সাথে ব্যাটিংয়েও ধার কমেছে কিছুটা। তাই তো তাঁর বিকল্প হিসেবে বর্তমান টি-টোয়েন্টি কাপ্তান সালমান আলি আঘাকে ভাবা হচ্ছিল।

তবে এসব বিষয়কে ভিত্তিহীন বলেই উড়িয়ে দিয়েছে বোর্ড। সূত্র মতে, নির্বাচক কমিটি অধিনায়কত্ব পরিবর্তনের বিষয়ে কোনো আলোচনা করেনি।

পাকিস্তান এখন প্রস্তুতি নিচ্ছে আসন্ন ত্রিদেশীয় সিরিজকে ঘিরে, যেখানে প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকছে আফগানিস্তান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত। এরপরই এশিয়া কাপ মহারণ, সব মিলিয়ে ব্যস্ত সময় চলছে। তাই তো এ যাত্রায় একপ্রকার রেহাই পেলেন শান মাসুদ এবং মোহাম্মদ রিজওয়ান।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link