ইংরেজদের রান পাহাড়ে পিষ্ট শ্রীলঙ্কা

লক্ষ্য থেকে ৫৩ রানের দূরত্ব অলআউট হয় শ্রীলঙ্কা। তাতে করে বড় জয় যুক্ত হয় সফরকারী ইংল্যান্ডের নামের পাশে। এই জয়ে, সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছেন ইংল্যান্ড ২-১ ব্যবধানে।

ইংল্যান্ডের রান পাহাড়ে পিষ্ট হল স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। রেকর্ড গড়ার হাতছানিতে হারিয়ে গিয়ে সিরিজ হাত ছাড়া করেছে চারিথ আসালাঙ্কার দল। ইংল্যান্ডের রেকর্ড গড়া সংগ্রহ টপকাতে গিয়ে পাভান রত্নানায়েকের ব্যাটে লড়াই করেও বড় পরাজয় হয়েছে শ্রীলঙ্কার সঙ্গী।

এদিন টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ইংল্যান্ড। ইংলিশ ব্যাটাররা রেকর্ড গড়ার মানসিকতা নিয়েই মাঠে নেমেছিল। জো রুট শেকড় ছড়িয়ে গেঁথে যান বাইশ গজে। তুলে নেন শ্রীলঙ্কার মাটিতে নিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। তার দৃঢ়তা উজ্জীবিত করে তোলে ইংরেজ কাপ্তান হ্যারি ব্রুককে।

তিনি আগ্রাসনের প্রতিমূর্তি হয়ে ওঠেন শ্রীলঙ্কান বোলারদের বিপক্ষে। ২০০ ছাড়ানো স্ট্রাইকরেটে তিনিও তুলে নেন সেঞ্চুরি। এই দুই ব্যাটারের অদম্য ১৯১ রানের জুটিতে ভর করে ৩৫৭ রানের বিশাল পুঁজি পায় ইংল্যান্ড। এটিই লঙ্কা দ্বীপে ইংরেজদের সর্বোচ্চ রানের সংগ্রহ। এর আগে ২৯৮ অবধিই পৌঁছাতে পেরেছিল তারা।

এই পাহাড়সম টার্গেট টপকাতে হলে শ্রীলঙ্কাকেও রেকর্ড গড়তে হতো। নিজেদের মাটিতে সর্বোচ্চ ২৯২ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড আছে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার। লঙ্কান ব্যাটাররা রেকর্ড গড়ার উদ্দেশ্যেই আগ্রাসী ভঙ্গিমায় ব্যাটিং শুরু করে। পাথুম নিসাঙ্কা ২৫ বলে ফিফটি হাঁকিয়ে তাদের উদ্দেশ্য পরিষ্কার করে দেয়।

তবে ইংলিশ বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে খেই হারায় লঙ্কানরা। পাভান রত্নানায়েকে সকল প্রতিকূলতার মাঝে দাঁড়িয়ে থেকে লড়াই চালিয়ে গেছেন একেবারে। পাভানের ১১৫ বলে ১২১ রানের প্রতিরোধ থমকে গেলে, শ্রীলঙ্কার পতন ঘটে। সেখানেই লেখা হয়ে যায় লঙ্কানদের পরাজয়।

লক্ষ্য থেকে ৫৩ রানের দূরত্ব অলআউট হয় শ্রীলঙ্কা। তাতে করে বড় জয় যুক্ত হয় সফরকারী ইংল্যান্ডের নামের পাশে। এই জয়ে, সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছেন ইংল্যান্ড ২-১ ব্যবধানে। টি-টোয়েন্টি সিরিজটা নিশ্চয়ই হাতছাড়া করতে চাইবে না স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link