‘অর্থোডক্স’ বলেই পিএসএলে নেই তাসকিন!

সে কারণেই মূলত পিএসএলের নিলামে দল পাননি তাসকিন। তবে তাসকিনের অভিজ্ঞতা দাঁড়িপাল্লায় মাপলে অবশ্য দামদর বা বাকি দুই ফ্যাক্টর কোন কিছুই ধোপে টেকে না।

পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) তাসকিন আহমেদের নাম নিলামে উঠলেও তাকে দলে নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেনি কোন দল। অথচ তিনি অনায়াসে বনে যেতে পারেন যেকোন দলের নতুন বলের কাণ্ডারি। যেমনটি তিনি হয়ে আছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের। শুধু তাই নয়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইএল টি-টোয়েন্টিতেও নিজের মুন্সিয়ানা দেখিয়ে এসেছেন এই পেসার।

পিএসলে দল না পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রধান প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে মূলত তাসকিনের ইনজুরি প্রবণতা। তবে এছাড়াও তাসকিনের বোলিংয়ের ধরণ অনাগ্রহের অন্যতম কারণ। পাকিস্তানকে বরাবরই বলা হয় পেসারদের খনি। সুতরাং সেই পাকিস্তানের ফ্রাঞ্চাইজি লিগে খেলতে হলে হতে হবে এক্সট্রা অর্ডিনারি। যেমনটি আরকি ঘটেছে মুস্তাফিজুর রহমানের ক্ষেত্রে।

তাসকিনের ক্ষেত্রে অন্তরায় হচ্ছে তার অর্থোডক্স বোলিং। ডানহাতি পেসার, নতুন বলে মুভমেন্ট আদায় করতে পারেন, গতিও যথেষ্ট ভাল, গড়ে প্রায় ১৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায় বল ছুড়তে পারেন। এসব মানদণ্ডে অনায়াসেই তাসকিনকে যেকোন দলে নিয়ে নেওয়া যায়। কিন্তু দলটা যখন পাকিস্তানের কোন ফ্রাঞ্চাইজি লিগের হয়, তখন ভাবনাতে চলে আসে দেশি পেসার।

পাকিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেট সার্কিটে তাসকিনের সমান স্কিলের বোলার খুঁজলে হয়ত সহজেই মিলবে। এমন একটা ভাবনা থেকেই ফ্রাঞ্চাইজিগুলো তাসকিনের প্রতি ততটাও আগ্রহ প্রকাশ করেননি। ১ কোটি ১০ লাখ পাকিস্তানি রুপি ভিত্তিমূল্য ছিল তাসকিনের। এই মূল্যে তাকে ক্রয় করতে না চাওয়ার পেছনে যুক্তিসংগত কারণ একই ধাঁচের স্বদেশী বোলারের প্রতি আস্থা, দ্বিতীয়ত তাসকিনের ইনজুরি প্রবণতা।

এই দুইয়ের মিশেলের সাথে জুড়ে গেছে অর্থের হিসেবটাও। সে কারণেই মূলত পিএসএলের নিলামে দল পাননি তাসকিন। তবে তাসকিনের অভিজ্ঞতা দাঁড়িপাল্লায় মাপলে অবশ্য দামদর বা বাকি দুই ফ্যাক্টর কোন কিছুই ধোপে টেকে না।

Share via
Copy link