অপ্রতিরোধ্য বেগে ছুটছে ইংল্যান্ড। আর ইংল্যান্ডের এই সাফল্যে সবচেয়ে দক্ষ সৈনিকের পরিচয় দিচ্ছেন উইল জ্যাকস। ইংল্যান্ডের ছয় জয়ে চারটিতেই ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। নিশ্চিতভাবেই তাই টুর্নামেন্ট সেরা হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন এই ইংলিশ অলরাউন্ডার।
গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে নেপালের সাথে আগে ব্যাট করতে নেমে ১৮ বলে অপরাজিত ৩৯ রানের এক দুর্ধ্বংসী ইনিংস খেলেন জ্যাক্স। দুই ওভারে বল হাতে নিয়েও তুলে নিয়েছেন একটি উইকেট। পরবর্তীতে চার রানের কষ্টার্জিত জয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পায় ইংল্যান্ড। ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন উইল জ্যাকস।
গ্রুপ পর্বের তৃতীয় ম্যাচের ইতালির মুখোমুখি হয় হ্যারি ব্রুকের দল। সেই ম্যাচে আবারও ব্যাট হাতে জ্বলে উঠেন উইল জ্যাক্স। খেলেন ২২ বলে ৫৩ রানের এক অপরাজিত ও বিধ্বংসী ইনিংস। লুফে নেন আসরের দ্বিতীয় ম্যাচ সেরার পুরষ্কার।

চার ম্যাচে তিন জয়ে সুপার এইট নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড। সুপার এইটে ভারত পেরিয়ে শ্রীলঙ্কার মাটিতে এলেও থেমে থাকেনি উইল জ্যাক্সের পারফরম্যান্স। ব্যাট হাতে ১৪ বলে ২১ রান করার পাশাপাশি এই ম্যাচে নিজের বোলিং দক্ষতাও কাজে লাগান তিনি। ২২ রান দিয়ে তুলে নেন তিনটি মহাগুরুত্বপূর্ণ উইকেট। এই ম্যাচেও ম্যাচসেরার ট্যাগটা বসে তার নামের পাশেই।
নিজেদের সেমিফাইনাল ইতোমধ্যে নিশ্চিত করে ফেলে কলোম্বোতে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হয় ইংলিশরা। কলোম্বোর তুলনামূলক ধীরগতির পিচে নিউজিল্যান্ডের দেওয়া ১৬০ রানও যেন এক পর্যায়ে এসে পাহাড়সম মনে হচ্ছিল।
এক পর্যায়ে ১৭ বলে ৪২ রানের দরকার হওয়া সেই ম্যাচেও রেহান আহমেদকে সাথে নিয়ে তিন বল হাতে রেখেই জয় ছিনিয়ে আনেন জ্যাক্স। খেলেন ১৮ বলে ৩২ রানের এক অতিমানবীয় ইনিংস। এর আগে বল হাতেও তুলে নিয়েছেন গ্লেন ফিলিপ্স এবং ড্যারেল মিশেলের গুরুত্বপূর্ণ উইকেট।

ম্যাচ শেষে ম্যান অব দ্যা ম্যাচের পুরষ্কার গ্রহণকালে জ্যাকস জানান চার ম্যাচের মধ্যে এটাই তার মতে সেরা অর্জন। সুপার এইটে অপরাজিত থাকা ইংল্যান্ড শিরোপা থেকে আর দুই ম্যাচ দূরে। এ যাত্রায় সাত ম্যাচে প্রায় ৬৪ গড়ে ১৯১ রান করা ও বল হাতে সাত উইকেট নেওয়া উইল জ্যাক্সই এখন টুর্নামেন্ট সেরা হওয়ার দাবি রাখেন।










