‘চোকার্স’ দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় কালিমা। এই তকমা বয়ে বেড়াচ্ছে তারা দীর্ঘকাল। দোষটা আসলে কি?
মোট আটবার তারা সেমিফাইনালে উঠেছে দুই ফরম্যাটের বিশ্বকাপে। এই আটবারের মধ্যে একবারই তারা ফাইনাল খেলেছে। তাও আবার ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। বিশ্বকাপ শিরোপার এক হাত দূরত্বে সেদিন সুরিয়াকুমার যাদবের একটি ক্যাচ রুখে দিয়েছিল প্রোটিয়াদের।
আর তাতেই বরং আড়াল হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার অনবদ্য এক ধারাবাহিকতার গল্প। ২০২৪ থেকে ২০২৬, এই দুইটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ খেলেছে মোট ১৬টি, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনাল ম্যাচ খেলার আগে অবধি। এই ১৬ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা হেরেছে ক’টি জানেন? মাত্র একটি!

আর সেটি ছিল সেই ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ফাইনাল ম্যাচটি। রীতিমত অপরাজিত থেকেই তারা উঠেছিল সেবারের ফাইনালে। সেদিনের সেই ফাইনালটা তো যে কেউই হেরে যেতে পারত। ডেভিড মিলারের ওই ক্যাচটা তালুবন্দী হতে না পারলে তো ঘটে যেত অন্যরকম ইতিহাস। ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয়নি বলে কি ‘চোকার্স’ তকমার উপহাস!
তবে প্রোটিয়ারা কিন্তু বসে নেই, নিজেদের এই কালিমা মুছে ফেলার ধারা তারা শুরু করে দিয়েছে বটে। টেম্বা বাভুমা ভাগ্যকে যেন নিজ হাতে বদলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে জিতিয়েছেন টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপ। এবার পালা এইডেন মার্করামের। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালটা মোটেও দুশ্চিন্তার কোন কারণ হওয়ার কথা নয়।
কেননা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মঞ্চে পাঁচ বারের দেখায় একবারও নিউজিল্যান্ডকে ম্যাচ জিততে দেয়নি দক্ষিণ আফ্রিকা। দুই কিংবা এক রানের রোমাঞ্চকর সব জয় তুলে নিয়েছে প্রোটিয়ারা। তবে, প্রোটিয়ারা আসলেই ‘চোকার্স’ কি-না সেটার ফয়সালাও হয়ে যেতে পারে দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে। এর আগে যে কখনো সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পায়নি দক্ষিণ আফ্রিকা।












