পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) নিজের অভিষেক ম্যাচেই ২১ বলে ফিফটি, শুরুটা স্বপ্নের মতোই। তবে ওটা যে কেবলই শুরু। দ্বিতীয় ম্যাচে এসে আরও এক ফিফটির দেখা পেলেন শামিল হুসেইন। বার্তাটা পরিষ্কার, তিনি লম্বা রেসের ঘোড়া হতেই এসেছেন।
হায়দ্রাবাদ কিংসম্যানের বিপক্ষে দ্বিতীয় অ্যাসাইনমেন্ট শামিলের। শুরু থেকে দায়িত্ব নিয়ে খেললেন। সবচেয়ে বড় ব্যাপার পরিস্থিতি বুঝে ব্যাটিং করেছেন। আগের ম্যাচে যার ব্যাটে ঝড় উঠেছিল সেই আবার দলের বিপর্যয়ে শান্ত নদীতে পরিণত হলো। এই পরিবর্তনটা ইঙ্গিত দেয় তিনি বড় নাম হবেন।
৪১ বলে ৫১ রানের ইনিংস এসেছে ব্যাট থেকে। খুব বিশেষ কিছু মনে হবে না দেখলে। তবে পেছনের গল্পটা ভিন্ন কথা বলে।

পিএসএল শুরুর ঠিক কদিন আগেই বাংলাদেশের বিপক্ষে অভিষেক হয় তাঁর। বাবর আজম, সায়িম আইয়ুবদের পাশ কাটিয়ে লুফে নেওয়া সুযোগের ঠিকঠাক ব্যবহার করতে পারেননি তিনি। নির্বাচকদের আস্থার প্রতিদান দেওয়া হয়নি। সমালোচনাও পিছু ছাড়েনি।
ব্যর্থতার গ্লানি নিয়েই পিএসএলের জন্য প্রস্তুত হয়েছেন। আশঙ্কা ছিল ব্যর্থতা ভুলে নিজেকে প্রমাণ করতে পারবেন তো শামিল? তবে প্রথম দিনেই নিজেকে আরও শক্তিশালী রূপে ফিরিয়ে এনেছেন। জানান দিয়েছেন হারিয়ে যেতে আসেননি তিনি। তবে এক ম্যাচেই তো আর বিচার করা যায় না সব। তাই তো দ্বিতীয় ম্যাচ বেছে নিলেন। সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়ে ফিফটি তুলে নিলেন।
এই যে ব্যর্থতার গোলকধাঁধায় পড়ে হতাশ না হয়ে নিজের সক্ষমতা জাহির করা, এটা সবাই পারে না। প্রচণ্ড মানসিক শক্তি আর জেদের সংমিশ্রণ চায় এখানে। তবে ২১ বছর বয়সী শামিল সেটা করে দেখিয়েছেন। বুঝিয়ে দিয়েছেন বড় নাম হওয়ার সব রসদই তাঁর মাঝে আছে।












