রিকেলটনের ব্যাটে মিলেছে আস্থার প্রতিদান!

রোহিত শর্মার অন্য পাশে দাঁড়িয়ে যে ঝড়টা প্রতিপক্ষকে চুরমার করে দিল, তার নাম রায়ান রিকেলটন। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের ম্যানেজমেন্ট যে আস্থা রেখেছিল তাঁর ওপর, সেটাকে প্রতিদান যতখানি দেওয়া সম্ভব তাঁর থেকে বরং বেশি দিয়েছিলেন তিনি। তাই তো ২২১ রান তাড়া করে জিততে বেগ পেতে হয়নি মুম্বাইকে। 

রোহিত শর্মার অন্য পাশে দাঁড়িয়ে যে ঝড়টা প্রতিপক্ষকে চুরমার করে দিল, তার নাম রায়ান রিকেলটন। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের ম্যানেজমেন্ট যে আস্থা রেখেছিল তাঁর ওপর, সেটাকে প্রতিদান যতখানি দেওয়া সম্ভব তাঁর থেকে বরং বেশি দিয়েছিলেন তিনি। তাই তো ২২১ রান তাড়া করে জিততে বেগ পেতে হয়নি মুম্বাইকে।

যেখানে দলে ছিলেন কুইন্টন ডি ককের মতো অভিজ্ঞ, বিশ্বমানের ওপেনার, সেখানেই মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স বেছে নিয়েছিল ভিন্ন পথ। তারা বিশ্বাস রেখেছিল প্রক্রিয়ায়, বিশ্বাস রেখেছিল গত মৌসুমের ধারাবাহিকতায়। বড় নামের মোহে না পড়ে, সুযোগটা তুলে দিয়েছিল রিকেলটনের হাতে। আর সেই সিদ্ধান্ত যে কতটা সঠিক, সেটা আবারও প্রমাণ করলেন তিনি।

২২১ রান তাড়া করতে হবে, ওয়াংখেড়ের নীল সমুদ্রকে ভাসাতে হবে আনন্দের জোয়ারে। কাজটা সহজ নয়, যতই ফ্ল্যাট উইকেট হোক, রানটা ২২১। তবে মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে এসেছিলেন রিকেলটন। অভিজ্ঞ রোহিতের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলতে পারলেই মিলবে সফলতার হাতছানি, তিনি সেটা জানতেন।

শুরুটা তাই করেছিলেন ঠান্ডা মাথায়, একেবারে হিসেবি। রোহিতের ঝড় দাঁড়িয়ে দেখেছেন, সুযোগ পেলে দু-চারটা বাউন্ডারি আদায় করেছেন। এরপর সময়ের সঙ্গে চালকের আসনে বসে তছনছ করেছেন কলকাতার সমস্ত পরিকল্পনা। বোলারদের লাইন-লেন্থকে খেলনার মতো ব্যবহার করেছেন।

৪৩ বলে ৮১, স্ট্রাইক রেট ১৯০-এর কাছাকাছি। সংখ্যাটাই বর্ণনা করে ইনিংসের মাহাত্ম্য। সাজঘরে যখন ফিরেছেন, দলের রান তখন ১৮৪। সবই ঠিক ছিল, তবে আক্ষেপও কম নয়। রানআউটের নির্মম স্বাদ নিতে হয়েছে তাঁকে। নইলে তিন অঙ্কের ছোঁয়া হয়তো পেয়েই যেতেন।

সেটা হয়নি ঠিকই, তবে আক্ষেপ ছাপিয়ে তাঁর বীরত্বগাঁথা লেখা হয়েছে ওয়াংখেড়ের বাইশ গজে। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের টিম ম্যানেজমেন্ট যে ঝুঁকি নিয়েছিল, সেটার পুরস্কার মিলেছে।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link