নাথান স্মিথের বলে নাজমুল হোসেন শান্তর স্টাম্প ভেঙে চুরমার, অবিশ্বাস্যের ভঙ্গিতে অসহায় তাকিয়ে আছেন অপরপ্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকা সাইফ হাসানের দিকে। অবশ্য এ আর নতুন কী? গত বছরের শুরু থেকেই যে একই দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি করে যাচ্ছেন শান্ত। তাই তো প্রশ্ন জাগে, আর কতবার ব্যর্থ হবেন তিনি?
বাংলাদেশ দলের তিন নম্বর পজিশনের গুরুদায়িত্ব পালন করছেন শান্ত। তবে সে দায়িত্বে কেবল অবহেলা ছাড়া অর্জনের খাতা শূন্য। রানের ধারাবাহিকতা না থাকলে কী হবে, ব্যর্থতার দিক দিয়ে ধারাবাহিকতার শীর্ষেই অবস্থান করছেন শান্ত।

তিনি আসবেন, আউট হয়ে সাজঘরে ফিরবেন, মাঝের সময়টাতে দলের বিপদ দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেবেন। এটাই যেন ২০২৫ সাল থেকে চলে আসছে। যার জের ধরে নিউজিল্যান্ড সিরিজের প্রথম ম্যাচেই গোল্ডেন ডাক। স্মিথের ইনকামিং ডেলিভারির বিপরীতে কোনো জবাবই যেন খুঁজে পেলেন না।
২০২৫ সালজুড়ে শান্ত খেলেছেন ১১ ওয়ানডে, যেখানে করেছেন ২১৭ রান, গড় ১৯.৭২। ২০২৬ সালে এখনও পর্যন্ত চার ইনিংসে সর্বমোট রান ৫৪ রান। যার দুটিতেই আছে ডাকের কীর্তি। অর্থাৎ শেষ ১৫ ম্যাচে ২৭১ রান করেছেন। একজন টপ অর্ডার ব্যাটারের কাছ থেকে আসা এমন পারফরম্যান্স এক কথায় দৃষ্টিকটুই বলা যায়।

ব্যাট-প্যাঁচের মধ্যে দিয়ে একজন ব্যাটারকে যেতে হবে, এটা চিরন্তন সত্য। তবে টেকনিকের ঘাটতিও যে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে শান্তর ক্ষেত্রে। ভেতরের দিকে আসা বলে রীতিমতো ভ্যাবাচ্যাকা খেতে হচ্ছে তাঁকে। ব্যাট-প্যাডের বিস্তর ফারাক দৃশ্যমান। যার এক নিদর্শন ফুটে উঠল এই ম্যাচেও। এর থেকে দ্রুত উত্তরণের উপায় বের করতে না পারলে নিজের সঙ্গে দলকেও ধারাবাহিকভাবেই ডোবাবেন শান্ত।











