এক জুটির কাছেই ঘরের মাঠে মুম্বাই কুপোকাত!

ক্যাপ্টেন ফ্যান্টাসিক! এই বিশেষণ বোধহয় শ্রেয়াস আইয়ারের জন্যই তৈরি হয়েছে। টানা তিন ম্যাচে ফিফটি। ব্যাট হাতে যেমন দাপুটে, তেমনই নেতৃত্বগুণেও সমান পটু। আবার সুযোগ পেলে ফিল্ডিংয়েও মুন্সিয়ানা দেখিয়ে দিচ্ছেন। এক কথায় দলের জন্য যা যা করা দরকার তার সবই করছেন আইয়ার।

ক্যাপ্টেন ফ্যান্টাসিক! এই বিশেষণ বোধহয় শ্রেয়াস আইয়ারের জন্যই তৈরি হয়েছে। টানা তিন ম্যাচে ফিফটি। ব্যাট হাতে যেমন দাপুটে, তেমনই নেতৃত্বগুণেও সমান পটু। আবার সুযোগ পেলে ফিল্ডিংয়েও মুন্সিয়ানা দেখিয়ে দিচ্ছেন। এক কথায় দলের জন্য যা যা করা দরকার তার সবই করছেন আইয়ার।

মুম্বাইয়ের ঘরের মাঠ। যেখানে প্রতিপক্ষ যেমন শক্তিশালী, তেমনই গ্যালারির গর্জনও বিরোধীপক্ষের পক্ষে। অর্থাৎ পরিস্থিতি কোনভাবেই অন্যকূলে নেই। তবে আইয়ার তাঁর থোড়ায় কেয়ার। কঠিন পরিস্থিতিতেই তো নেতাকে চিনে নিতে হয়। আর আইয়ার যে পরীক্ষিত, সে বিষয়ে দ্বিমত কারো নেই। ওয়াংখেড়েতে সেটাই প্রমাণ হলো।

শুরুতে অবশ্য চালকের আসনে ছিল পাঞ্জাবই। ১২ রানের মাথায় মুম্বাইয়ের দুই সেরা ব্যাটারকে পকেটে পুরে জানান দেয়, দুর্গ দখল করতেই তারা এসেছে। তবে সবকিছু ভেস্তে দেয় কুইন্টন ডি ককের শতরান। মুম্বাই স্কোরবোর্ডে তোলে ১৯৫।

৪৫ রান পর্যন্ত পরিস্থিতি মুম্বাইয়ের অনূকূলে ছিল বটে, তবে এরপরই লাগাম টেনে ধরেন প্রভসিমরান সিং এমন আইয়ার মিলে। দুজনে যেন এক ধ্বংসের খেলায় মেতে ওঠেন। মুম্বাইয়ের নামজাদা বোলিং আক্রমণকে ধুলিসাৎ করাই ছিল মূল লক্ষ্য। প্রভসিমরান যখন আগ্রাসনের ফুলকি ছড়িয়ে যাচ্ছেন, আইয়ার তখন সাহস হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। আবার সুযোগ বুঝে তিনিও তাতিয়ে তুলছেন নিজের ভেতরের খুনে মেজাজটাকে। চড়াও হচ্ছেন বুমরাহ-হার্দিকদের উপর।

দুজনের ব্যাট থেকে আসে ১৩৯ রানের বিশাল জুটি, তাও আবার মাত্র ৬৭ বল থেকে। ম্যাচের যেন কিছুই বাকি থাকে না এরপর। আইয়ার অবশ্য শেষ সময়ে সাজঘরে ফিরেছেন। তবে নামের পাশে ৬৬ রানের ঝকঝকে এক ইনিংস লিখে নিয়ে গেছেন। আর প্রভসিমরানকে থামানো যায়নি কোনোভাবে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দাঁড়িয়ে ৮০ রানের এক কালজয়ী ইনিংসের উপাখ্যান লিখেছেন।

পাঞ্জাবও তাই জয়ের দেখা পেয়েছে হেসেখেলে। ব্যবধানটা ২১ বল আর সাত উইকেটের। ঘরের মাঠে একেবারে নাস্তানাবুদ মুম্বাই।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link