অবশেষে কাজে লাগল হোভার কাভার!

দৃশ্যপট বদলে গেল নতুন কিউরেটর টনি হেমিংয়ের আগমনের পর থেকে। দায়িত্ব নিয়েই হেমিং বিসিবিকে সাফ জানিয়ে দেন, কোটি টাকার এই সম্পদকে অকারণে ফেলে রাখা যাবে না।

আকাশে মেঘের ঘনঘটা আর বৃষ্টির চিরচেনা শঙ্কার মাঝে অবশেষে মিরপুরের শের-এ-বাংলা স্টেডিয়ামে ফিরছে এক কোটি টাকার স্বস্তি। এতদিন যে আধুনিক ‘হোভার কাভার’ মাঠের এক কোণে অবহেলায় পড়ে ছিল, মিরপুরের চেনা সবুজ ঘাসে এখন সেটিই আবার প্রাণ ফিরে পেয়েছে।

মিরপুর স্টেডিয়ামের এক কোণায় জমে থাকা ধুলোবালি আর অবহেলার চাদর মুড়িয়ে পড়ে ছিল কোটি টাকার এই আধুনিক যন্ত্রটি। ২০১০ সালে কেনা হলেও এতদিন যেন দেখার কেউ ছিল না, কাজের সময়েও এটিকে মাঠে নামানোর কোনো তাগিদ ছিল না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবির)। ফলে অলস পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছিল এই মূল্যবান প্রযুক্তি।

তবে দৃশ্যপট বদলে গেল নতুন কিউরেটর টনি হেমিংয়ের আগমনের পর থেকে। দায়িত্ব নিয়েই হেমিং বিসিবিকে সাফ জানিয়ে দেন, কোটি টাকার এই সম্পদকে অকারণে ফেলে রাখা যাবে না। অবহেলার দিন শেষ করে বৃষ্টির হাত থেকে পিচ বাঁচাতে এটি অবিলম্বে কাজে লাগানোর নির্দেশ দেন হেমিং।

শুধু নির্দেশ দিয়েই ক্ষান্ত হননি টনি হেমিং। এবার মিরপুরের তপ্ত রোদে নিজে মাঠে দাঁড়িয়ে থেকে মাঠকর্মীদের হাতে-কলমে নির্দেশনা দিচ্ছেন তিনি। এই বিশাল হোভার কাভারটি কীভাবে দ্রুত পিচের ওপর ছড়িয়ে দিতে হবে, সেই কৌশলগুলো তিনি নিখুঁতভাবে শেখাচ্ছেন গ্রাউন্ডসম্যানদের। দীর্ঘদিন পর এসে অবশেষে ক্রিকেটের কাজে লাগতে যাচ্ছে এই যন্ত্রটি। 

সামনেই ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে বাংলাদেশ। বৃষ্টি যাতে খেলার রোমাঞ্চে জল ঢেলে দিতে না পারে, সেজন্যই মিরপুরের বাইশ গজকে সুরক্ষিত রাখতে এখন পুরোপুরি প্রস্তুত এই হোভার কাভার।

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

Share via
Copy link