অভিষিক্ত জোয়েল ডেভিসের ওপর চড়াও হলেন। ১৯ তম ওভারের প্রথম তিন বলে হাকালেন টানা তিন বাউন্ডারি। তাতেই বাংলাদেশের স্কোরটা একটু হলেও সম্মানজনক অবস্থানে পৌছাল।
না, শেখ মেহেদী হাসান বিরাট কোনো ইনিংস খেলে ফেলেননি। তবে, তাঁর ২২ বলে ২৯ রানের ইনিংসটা চট্টগ্রামের বিপর্যয়ের মঞ্চে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের বুকে কিছুটা হলেও ভরসা যুগিয়েছে।

বিপদের সময় মাঠে নামেন, ইনিংস গঠন করেন। এরপর পাল্টা আক্রমণও করেন। ইনিংসে ছিল চারটি বাউন্ডারি। বাংলাদেশ এক ওভার হাতে থাকতে অল আউট হওয়ার আগে বোর্ডে জমা করতে পারে ১৩১ রান। অপর প্রান্তে ব্যাটার না থাকায় শেষ পর্যন্ত অপরাজিতই থাকেন।
মেহেদীর ব্যাটিং সামর্থ্য নিয়ে বাংলাদেশের টিম ম্যানেজমেন্টের অনেক আশা থাকলেও, সেই আশার প্রতিদান তিনি দিতে পারেন সামান্যই। তবে, এবার পারলেন। তাঁর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের বিরল কিছু ব্যাটিং ঝলকের সাক্ষী হয়ে রইল চট্টগ্রাম।











