বুড়ো রোহিতের তেলেসমাতি!

সবাই হারিয়ে যাওয়ার জন্য আসে না, ফুরিয়ে যাওয়ার বিষাক্ত তীর তাদের বর্মভেদ করতে পারে না। বয়স বাড়ে, তবে সেটা ধরা দেয় অভিজ্ঞতার ডালা নিয়ে। রোহিত শর্মা তো সেই দলেরই।

সবাই হারিয়ে যাওয়ার জন্য আসে না, ফুরিয়ে যাওয়ার বিষাক্ত তীর তাদের বর্মভেদ করতে পারে না। বয়স বাড়ে, তবে সেটা ধরা দেয় অভিজ্ঞতার ডালা নিয়ে। রোহিত শর্মা তো সেই দলেরই। আফগানিস্তানের বিপক্ষে আরও একবার বলে গেলেন, এ বেলায় শেষের স্লোগান তুলো না কেউ।

‘না, লক্ষ্যটা বিশাল কিছু না। ২১৯ রান ছুড়ে দিয়েছে আফগানিস্তান। তরুণ যশস্বী জয়সওয়ালের সাথে সেই বুড়ো রোহিত জুটি। তবে শুরুটা দেখে অনেকেই হয়তো ভ্রু কুঁচকেছিলেন।

জয়সওয়াল আগ্রাসী সুরে ব্যাট চালাচ্ছে, রোহিত কিনা ২৪ বলে মোটে ১৪। এই তীক্ষ্ণ দৃষ্টির জবাবটা রোহিত দিলেন পরের দুই বলে। জিয়াউর রহমানকে ছক্কা, চার হাঁকিয়ে সেই যে শুরু করলেন, এরপর চলল তাণ্ডব।

একের পর এক বল আছড়ে পড়ল গ্যালারিতে। সেই চিরচেনা পুল, ড্রাইভ। কে বললে লোকটা বুড়ো? একেবারে শেষ বেলায় দাঁড়িয়ে? ফিফটি এলো ৪৭ বলে। এরপর যেন আরও বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে উঠলেন।

আফগানিস্তানের বোলাররা অসহায় তাকিয়ে দেখেছে রোহিতের ক্লাস, সেই পুরনো ঝাঁজ। ৩৪ নম্বর সেঞ্চুরি হাতছানি দিয়ে ডাকছিল তখন। রোহিতও সেই মায়ামন্ত্রে আকৃষ্ট হয়ে ছুটছিলেন। তবে সে ছোটা আর পূর্ণতা পেল না।

৬৯ বলে ৭৯ রানের এক অনবদ্য ইনিংস খেলে তাঁকে ফিরতে হলো। নিজের পর বিরক্তির সবটাই উগরে দিয়েছেন। তবে ক্রিকেটে ব্যাটারদের একবার ভুল হলে শুধরে নেওয়ার সুযোগ কমই থাকে।

অবশ্য রোহিত শর্মার আক্ষেপ থাকার কথা না নিশ্চয়। ফেরার আগে যে দর্শকদের পয়সা উশুল করে দিয়ে গেছেন। বছর দশেক আগের রোহিতকে ফিরিয়ে এনেছেন। যাওয়ার আগে বলে গেছেন, বয়স বাড়লেই সবাই অক্ষম হয়ে যায় না।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link