জয়সওয়ালের যশে ভরা ইনিংস!

জয়সওয়াল এমন একজন যে তিন ফরম্যাটেই রাজত্ব করতে পারেন। তবে ভাগ্যের নির্মমতায় কেন জানি ওয়ানডেতেই সুযোগটা পাওয়া হয় না।

সপ্তাহ খানেক আগে সুনীল গাভাস্কার বলেছেন, ‘২০২৭ বিশ্বকাপে যদি রোহিত শর্মাকে নেওয়া হয় তবে নির্বাচকদের উচিত যশস্বী জয়সওয়ালকে সরি বলা।’ এর মূল কারণ একটাই, জয়সওয়াল এমন একজন যে তিন ফরম্যাটেই রাজত্ব করতে পারেন। তবে ভাগ্যের নির্মমতায় কেন জানি ওয়ানডেতেই সুযোগটা পাওয়া হয় না। আর যখনই পান, তখনই বুঝিয়ে যান কেন তিনি কমপ্লিট ব্যাটার। আফগানিস্তানের সঙ্গে হাঁকানো শতকটা তারই একটা স্টেটমেন্ট।

প্রথম দুই ম্যাচে রানের দেখা পাননি। কোনোভাবেই কিছু হচ্ছিল না। তবে সেরাটা বোধহয় শেষের জন্য জমিয়ে রেখেছিলেন। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত উইকেটে দাঁড়িয়ে থেকে সেই সেরা জিনিসটারই প্রদর্শন ঘটালেন।

আফগানিস্তানের দেওয়া লক্ষ্যটা ছিল ২১৯ রানের। খুব বেশি চাপ নেই স্কোরবোর্ডে। তাই তো ঠান্ডা মাথায় শাসন করলেন আফগান বোলারদের।

তিন ফরমেটেই রূপ বদলে ফেলার এক অতিমানবীয় ক্ষমতা আছে জয়সওয়ালের। ওয়ানডেতে সুযোগ কমই এসেছে, তবে সেটা সবসময় কাজে লাগানোর প্রয়াস ছিল ব্যাটে। যার প্রতিফলন আজকের সেঞ্চুরি।

শুরু থেকেই ছিলেন আগ্রাসী, ৩৮ বলেই তুলে নেন ফিফটি। তবে দুই ম্যাচের রানের ক্ষুধা কি আর ফিফটিতে মেটে। নজর ফেললেন তিন অঙ্কের ঘরের দিকে। সফল ভাবেই পৌঁছে গেলেন কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে। ১৪ চার আর তিন ছক্কায় মাত্র ৮৬ বল খেলে করেন ১১০ রান। নামের পাশে জায়গা করে নেয় ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি।

তাতেই আফগানিস্তানের দেওয়া ২১৯ রানের লক্ষ্য ভারত তাড়া করে ফেলে নয় উইকেটের ব্যবধানে। হাতে বাকি ছিল ১২৮ বল। এই জয়ে তিন ম্যাচেই আফগানিস্তানকে ডমিনেট করে হোয়াইটওয়াশ করলো ভারত। আর জয়সওয়াল বুঝিয়ে গেলেন, তাঁকে অন্তত উপেক্ষা করা যায় না।

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

Share via
Copy link