ম্যাচটা জার্মানির হওয়ার কথা ছিল না। পুরো প্রথমার্ধ বল দখলে এগিয়ে, হাভার্টজ-মুসিয়ালা-নমেচার একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও গোল পায়নি জার্মানি। উল্টো ৩০তম মিনিটে আমাদ দিয়ালোর শটের রিবাউন্ড থেকে ফ্রাঙ্ক কেসিয়ে গোল করে আইভরি কোস্টকে এগিয়ে দিলেন — কোনো অ্যাসিস্ট ছাড়া, শুধু ব্যক্তিগত প্রতিভায়। ১৬টি শট বনাম মাত্র ৯টি, পরিসংখ্যান বলছিল জার্মানির — কিন্তু স্কোরবোর্ড বলছিল আইভরি কোস্টের।
দ্বিতীয়ার্ধেও আইভরি কোস্ট আরো আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠল। ৫০তম মিনিটে কেসিয়ের শট নয়্যার আটকালেন, ৫১তম মিনিটে উলাইয়ের শট গেল অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট। তখনই নাগেলসম্যান সাহসী সিদ্ধান্ত নিলেন — ৬০তম মিনিটে একসাথে তিনটি পরিবর্তন। মুসিয়ালা, সানে, পাভলোভিচকে তুলে মাঠে নামালেন লেভেলিং, আমিরি আর উন্দাভকে।
মাত্র আট মিনিটেই সেই সিদ্ধান্তের ফল। ৬৮তম মিনিটে আমিরির অ্যাসিস্টে উন্দাভ সমতা ফেরালেন। কিন্তু রাতটা তখনো শেষ হয়নি। ৮৯তম মিনিটে ফোফানা একের পর এক দুর্দান্ত সেভ করে জার্মানিকে আটকে রাখলেন, মনে হলো ড্র-ই হবে ফলাফল। তারপর ইনজুরি টাইমের চতুর্থ মিনিটে নমেচার পাস পেয়ে একটি মুহূর্তে ঘুরে শট — ফোফানার কিছু করার ছিল না। জার্মানি ২-১

বেঞ্চ থেকে নেমে জোড়া গোল, একা ম্যাচ ঘুরিয়ে দেওয়া — ডেনিজ উন্দাভ আজ রাতের একমাত্র নায়ক। আর নাগেলসম্যানের সেই ট্রিপল সাব! সেটাই ছিল ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট।











