পরিবর্তন আসছে টাইব্রেকারে

স্নায়ুচাপের মুহূর্তে কয়েন টস করে গোলপোস্ট বা শট নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পুরনো রীতিটা এবার বদলে ফেলতে চাইছে ফিফা।

​ফুটবল বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে টাইব্রেকার মানেই কোটি মানুষের হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া। এই স্নায়ুচাপের মুহূর্তে কয়েন টস করে গোলপোস্ট বা শট নেওয়ার সিদ্ধান্তের পুরনো রীতিটা এবার বদলে ফেলতে চাইছে ফিফা। ২৮ জুন থেকে শুরু হওয়া নকআউট পর্বের আগেই হয়তো নতুন কোনো নিয়মের সাক্ষী হতে চলেছে ফুটবল বিশ্ব।

সাধারণত টাইব্রেকারের আগে দুটি কয়েন টস করা হয়। প্রথম টসে নির্ধারিত হয় কোন দল আগে শট নেবে, আর দ্বিতীয় টসে ঠিক করা হয় মাঠের কোন প্রান্তে শটগুলো নেওয়া হবে।

কিন্তু এই দুই টসের পদ্ধতি নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই অসন্তোষ ছিল। বর্তমান পদ্ধতিতে অনেক সময় একটি দল উভয় টসেই হেরে যায়, যা তাদের জন্য চরম প্রতিকূল পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। দুই টস হারের ফলে মানসিকভাবেও অনেক দল শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে।

ফিফা এখন এই দ্বিমুখী টসের ঝামেলা কমিয়ে একটি মাত্র টসের কথা ভাবছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, টস জয়ী দলকে দুটি সুবিধার মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নিতে হবে।

তারা চাইলে আগে শট নেওয়ার সুযোগ নিতে পারে, অন্যথায় নিজেদের সমর্থকদের সামনে গোলপোস্টের প্রান্ত বেছে নিতে পারে। অবশিষ্ট সুবিধাটি সরাসরি চলে যাবে টসে পরাজিত দলের হাতে।

​ফুটবলের আইন প্রণয়নকারী সংস্থা ‘ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড’ বা আইএফএবির সঙ্গে ফিফা ইতিমধ্যে এ নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ফুটবলের নিয়মে এই নতুন সংযোজন শেষ পর্যন্ত কী প্রভাব ফেলে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link