বিশ্বকাপে ফেয়ার প্লে পয়েন্টের গুরুত্ব!

কেবল ভালো খেলাই নয়, ভালোভাবে খেলাটাও একটা দলকে জায়গা করে দিতে পারে বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এ। কিভাবে? এর পেছনে দাঁড়িয়ে আছে বেশ কিছু নিয়ম-কানুন। চলুন তা দেখে নেওয়া যাক।

কেবল ভালো খেলাই নয়, ভালোভাবে খেলাটাও একটা দলকে জায়গা করে দিতে পারে বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এ। কিভাবে? এর পেছনে দাঁড়িয়ে আছে বেশ কিছু নিয়ম-কানুন। চলুন তা দেখে নেওয়া যাক।

২০২৬ বিশ্বকাপের নতুন ফরম্যাটে ১২টি গ্রুপের পাশাপাশি নকআউট পর্বে জায়গা পাবে আটটি সেরা তৃতীয় স্থানধারী দলও। কিন্তু সমস্যা হলো, অনেক সময় দুই বা তার বেশি দলের পয়েন্ট, গোল পার্থক্য, এমনকি গোলসংখ্যাও সমান হয়ে যেতে পারে। তখনই সামনে আসে এক অদ্ভুত অথচ গুরুত্বপূর্ণ হিসাব, ফেয়ার প্লে পয়েন্ট।

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, সব ধরনের পরিসংখ্যান সমান হলে দলগুলোর শৃঙ্খলাজনিত রেকর্ড বিবেচনা করা হয়। অর্থাৎ কে কত কম কার্ড দেখেছে, কে মাঠে কতটা নিয়ন্ত্রিত থেকেছে, সেটাই হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় পার্থক্য।

একটি হলুদ কার্ডের জন্য কাটা যায় এক পয়েন্ট। দুই হলুদ কার্ড থেকে পাওয়া লাল কার্ডে কাটা যাবে তিন পয়েন্ট। সরাসরি লাল কার্ডের শাস্তি চার পয়েন্ট, আর হলুদ কার্ডের পর সরাসরি লাল দেখলে কাটা যাবে পাঁচ পয়েন্ট।

শুনতে বিষয়টি ছোট মনে হলেও বিশ্বকাপের মঞ্চে এর মূল্য আকাশছোঁয়া। একটি হলুদ কার্ডের ব্যবধানেই একটি দল চলে যেতে পারে রাউন্ড অব ৩২-এ, আর আরেকটি দলকে ফিরতে হতে পারে বাড়ির পথে।

ভাবুন, তিন ম্যাচ শেষে দুই দলেরই পয়েন্ট সমান, গোল পার্থক্য সমান, গোলসংখ্যাও সমান। তখন আর আক্রমণ, রক্ষণ কিংবা তারকা ফুটবলারের জাদু নয়, হিসাব হবে কে মাঠে বেশি ভদ্র ছিল, কে কম ফাউল করেছে, কে নিজের আবেগকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছে।

ফুটবলের রোমাঞ্চ এখানেই। কখনো একটি গোল বদলে দেয় ভাগ্য, কখনো একটি সেভ। আবার কখনো মাঠে শৃঙ্খলা বজায় রাখার পুরস্কার হিসেবেই খুলে যায় নকআউট পর্বের দরজা।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link