প্রথম ম্যাচে কেপ ভার্দের মতো পুঁচকের সাথে ড্র করলেও পরাক্রম দেখিয়েই ফিরে এসেছে স্পেন। বর্তমান ইউরোপজয়ীরা এবার রুখে দিয়েছে উরুগুয়ে। দুইবারের বিশ্বকাপজয়ী হলেও উরুগুয়েকে এবার ঘরে ফিরতে হবে নকআউটে নাম না লেখিয়েই। অন্যদিকে, স্পেন গ্রুপ পর্ব ডিঙালো গ্রুপচ্যম্পিয়ন হয়েই।
রেফারি ম্যাচ শুরুর বাঁশি বাজানোর পর থেকেই বলের দখল নিজেদের পায়ে রাখতে থাকে স্পেন। প্রথমার্ধের পুরো সময় জুড়েই এই কাজটা করে রেখে ইউরোপজয়ীরা। যদিও কোনো দলই বিশেষ কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারছিল না গোলে বল জড়ানোর।
তবে, সুযোগটা আসে স্পেনের পক্ষেই। ৪২ মিনিটে অ্যালেক্স বায়েনা ডিবক্সের ভেতর থেকে শট নেন গোলকে লক্ষ্য করে। কিন্তু, সহজ শটটাই ঠেকাতে পারেননি উরুগুয়ের গোলরক্ষক। গ্লাভস ছুটে বল গিয়ে স্পর্শ করে জাল, আর ম্যাচের ভাগ্য অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যায় সেখানেই।

দ্বিতীয়ার্ধেও নিজেদের প্রভাব ধরে রাখে স্পেন। যদিও উরুগুয়ের ডিফেন্স ভেঙে গোলের সুযোগ খুব বেশি তৈরি করতে পারেনি, কিন্তু, প্রায় ৭০% সময় বল নিজেদের পায়ে রেখে ম্যাচের দখল নিজেদের হাতেই রাখে স্প্যানিশরা।
৮৬ মিনিটে উরুগুয়ের ভুলের কারণে কেবল গোলরক্ষককে সামনে পান ফেরান তোরেস। কিন্তু, শট গিয়ে লাগে গোলবারে। নাহলে ব্যবধান দ্বিগুণ সেখানেই হয়ে যেত। বাকি সময়ে কেউই আর গোলের দেখা পায়নি। উলটো, অতিরিক্ত সময়ে ফাউল করে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন উরুগুয়ের অগাস্টিন ক্যানোবিও।
প্রথম ম্যাচে কেপ ভার্দের কাছে বন্দি হয়ে গিয়েছিল স্পেন। তবে, বাকি দুই ম্যাচে জয় তুলে নিজেদের নকআউটে নিয়ে গেল গ্রুপসেরা হিসেবেই। আর, এই হারে গ্রুপপর্ব থেকেই দেশের পথে রওনা দিতে হবে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন উরুগুয়েকে।











