লিওনেল মেসি, দ্য সুপার সাব

ফুটবল বিশ্বের রিঙ মাস্টার আসলে ক্ষুদে এক আর্জেন্টাইন জাদুকর। তিনি নামবেন, ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিবেন। পুরো বিশ্ব অবাক চোখে তাকিয়ে দেখবে আর বিড় বিড় করে বলবে, ‘এটাও সম্ভব!’

ফুটবল বিশ্বের রিঙ মাস্টার আসলে ক্ষুদে এক আর্জেন্টাইন জাদুকর। তিনি নামবেন, ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিবেন। পুরো বিশ্ব অবাক চোখে তাকিয়ে দেখবে আর বিড় বিড় করে বলবে, ‘এটাও সম্ভব!’

সেই ক্ষুদে জাদুকর লিওনেল আন্দ্রেস মেসি এবার সুপার সাব। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ তিনি খেলবেন না, কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি আগেই জানিয়ে রেখেছেন।

তিনি নামলেন, যখন ম্যাচে ৩০ মিনিট বাকি। আর্জেন্টিনার দুই গোলের জবাবে একটা ফিরিয়ে দিয়ে উজ্জীবিত জর্ডান। লিওনেল মেসি তখন সেটাই করলেন, যেটা তাঁর কাছ থেকে প্রত্যাশিত।

৮০ মিনিটে এল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। বাঁ পায়ের সেই ভূবন ভোলানো ফ্রি-কিক। মহাকালের সেরা তারকার মোহনীয় এক ফিনিশিং। গোলরক্ষক রিফ্লেক্সের জন্য সময়ই পেলেন না।

লিওনেল মেসি আসলে কি পারেন না? ফ্রি-কিক থেকে নিজের ক্যারিয়ারের ৭২ তম গোল করলেন। আর মাত্র ছয়টি গোল করলেই ব্রাজিলের ফ্রি-কিক গ্রেট জুনিনহো-কে ছাড়িয়ে উঠবেন চূড়ায়। আরেকটা সিংহাসন অপেক্ষা করছে মেসির জন্য।

এখানেই কি শেষ? না, বিশ্বকাপের ইতিহাসের একমাত্র ফুটবলার হিসেবে টানা সাত ম্যাচে গোল করার অনন্য নজীর গড়লেন তিনি। সত্যি এই মেসি একজন মাফিয়া, এই মাফিয়া নিয়ন্ত্রিত সাম্রাজ্যের ফুটবল জগৎ অবাক বিস্ময়ে ঘুরপাক খাচ্ছে।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link