কাতারের ক্রিকেটে বাংলাদেশের জোহরার নতুন গল্প

২০০৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হলেও খেলোয়াড় হিসেবে জোহরার পথচলা দীর্ঘ হয়নি। মাত্র তিনটি ওয়ানডে খেলেই জাতীয় দলের অধ্যায় শেষ করলেও কোচিং পেশায় তিনি নিজের পরিচয় গড়ে তুলেছেন ধীরে ধীরে।

কাতারের নারী ক্রিকেটে বাংলাদেশের এক নতুন গল্পের শুরু হয়েছে। প্রথমবারের মতো দেশটির নারী ক্রিকেট দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব নিয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক ক্রিকেটার ফাতেমাতুজ জোহরা। মালদ্বীপ ও চীনে সফল কোচিং অধ্যায়ের পর মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে তাঁর নতুন দায়িত্ব বাংলাদেশের জন্যও একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।

২০০৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হলেও খেলোয়াড় হিসেবে জোহরার পথচলা দীর্ঘ হয়নি। মাত্র তিনটি ওয়ানডে খেলেই জাতীয় দলের অধ্যায় শেষ করলেও কোচিং পেশায় তিনি নিজের পরিচয় গড়ে তুলেছেন ধীরে ধীরে। অস্ট্রেলিয়া, মালদ্বীপ ও চীনে কাজের অভিজ্ঞতা তাঁকে নিয়ে গেছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনের স্বতন্ত্র অবস্থানে।

জোহরার ভাষায়, কাতারে এতদিন পুরুষদের ক্রিকেট তুলনামূলক বেশি পরিচিত থাকলেও এখন নারী-পুরুষ দুই বিভাগেই সমান গুরুত্ব দিচ্ছে দেশটির ক্রিকেট কর্তৃপক্ষ। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতামূলক দল গড়ে তোলার লক্ষ্যে তারা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।

বিশ্বে নারী দলের কোচ হিসেবে নারীদের উপস্থিতি এখনও সীমিত। সেই বাস্তবতায় বাংলাদেশ থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করা নারী কোচদের মধ্যে জোহরা নিজেকে ব্যতিক্রমী উদাহরণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাঁর লক্ষ্য, কাতার নারী দলকে আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষ ৪০-এর ভেতর নিয়ে আসা। কঠিন চ্যালেঞ্জ গ্রহণই তাঁর কোচিং দর্শনের সবচেয়ে বড় শক্তি।

লেখক পরিচিতি

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link