জীবন যা কেড়ে নেয়, তার থেকে বেশি কিছুই দেয়। এই যেমন মিশরের মোস্তফা জিকোকে বেশি কিছুই ফিরিয়ে দিয়েছিল। ৬০ মিনিটে দেওয়া গোল বাতিল হলো, এর ঠিক সাত মিনিট পরই তিনি গোল করলেন। যেন ভাগ্যের ওপর মধুর এক প্রতিশোধ নিলেন। তবে কফিনে শেষ পেরেকটা কিন্তু ঠুকে দিল নিয়তি।
পিছিয়ে থাকা আর্জেন্টিনা মরিয়া হয়ে উঠেছে একটা গোল শোধ করার জন্য। একের পর এক আক্রমণ চালাচ্ছে তখন। বলের আনাগোনা মিশরের বক্সের আশপাশে। সেখান থেকে গল্পের শুরু। ৬০ মিনিটের মাথায় নিজেদের অর্ধে লিসেন্দ্রো মার্তিনেজের কাছ থেকে বল কেড়ে নেয় মিশর।

এরপর শুধুই ছুটে চলা, অসহায় আর্জেন্টিনার রক্ষণ ধাওয়া করছে তখন। তবে লাভ হলো না। মোস্তফা জিকোকে শেষ সময়ে আর আটকে রাখা গেল না। ফলাফল, গোল। আর্জেন্টিনারা আর্তি জানাল, লিসেন্দ্রোর কাছ থেকে যেভাবে বল কেড়ে নেওয়া হয়েছে, সেটা বৈধ ছিল না। এরপর রেফারি গেলেন ভিএআরের কাছে। সেখানেই বাতিল হলো গোল।
এর ঠিক সাত মিনিট পর আবারও সেই মোস্তফা জিকো। দুর্দান্ত ফিনিশিং, গোল করলেন, নিজের দেশের হিরো বনে গেলেন। সবাই ধরেই নিল, আর্জেন্টিনার স্বপ্ন ধুলিসাৎ করার মূল কারিগর তিনিই।

এবার প্রথম কথায় ফিরে যাই, জীবন যা কেড়ে নেয়, তার থেকে বেশি ফিরিয়ে দেয়। জিকোর বেলায়ও যেমন সত্য, তেমনই সত্য আর্জেন্টিনার বেলায়ও। তাই তো নায়ক তিনি হলেন ঠিকই, তবে সেটার আগে জুড়ে থাকল ‘পরাজিত’ শব্দটা।










