ভারতের লজ্জাজনক পরাজয়!

মাত্র ৭৬ রানে অলআউট ভারত। পরাজয়ের ব্যবধান ১২৫ রান।  ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর ভারতের ছন্দ যে পুরোপুরি হারিয়ে গেছে, ট্রেন্ট ব্রিজে তারই আরেকটি নির্মম প্রমাণ মিলল।

মাত্র ৭৬ রানে অলআউট ভারত। পরাজয়ের ব্যবধান ১২৫ রান।  ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর ভারতের ছন্দ যে পুরোপুরি হারিয়ে গেছে, ট্রেন্ট ব্রিজে তারই আরেকটি নির্মম প্রমাণ মিলল। এই জয়ে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ না হারার নিশ্চয়তা পেয়ে গেছে ইংল্যান্ড।

টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ভারতের অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার। সেটা যে কাজে আসবে না শুরু থেকেই তার আঁচ টের পাওয়া যাচ্ছিল। জশ বাটলার আর ফিল সল্ট মিলে তাণ্ডব চালালেন। বাটলার অল্পতে তুষ্ট হলেও সল্টের ব্যাট থেকে এলো ৭০ রান। শেষদিকে স্যাম কারানের ৪১ রানে ভর করে ইংল্যান্ড স্কোরবোর্ডে তোলে ২০১ রান।

২০২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে যা ঘটল, তা ভারতীয় ক্রিকেট সমর্থকেরা  মনে রাখতে চাইবেন না। ইনিংসের শুরু থেকেই জশ টাং ও জোফরা আর্চারের গতির সামনে দাঁড়াতেই পারেননি ভারতীয় ব্যাটাররা। পাওয়ারপ্লে শেষ হতেই ভারতের স্কোরবোর্ডে ৫৪ রান, হারিয়ে ফেলেছে পাঁচটি উইকেট।

সেখান থেকে আর ঘুরে দাঁড়ানোর কোনো সুযোগই পায়নি সফরকারীরা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা ভারত মাত্র ১১.৪ ওভারেই অলআউট হয়ে যায় ৭৬ রানে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১৩ রান করেন বৈভব সুরিয়াভানশি ও অভিষেক শর্মা। মাত্র চারজন ব্যাটার দুই অঙ্কের রান স্পর্শ করতে পেরেছেন, যা ভারতের ব্যাটিং ব্যর্থতার নির্মম চিত্র তুলে ধরে।

রান তাড়া করতে নেমে ১২৫ রানের এই পরাজয় ভারতের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হার। আরও উদ্বেগের বিষয়, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর পাঁচ ম্যাচে এটি ভারতের চতুর্থ হার; বাকি একটি ম্যাচ ছিল পরিত্যক্ত।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link