নায়ক থেকে খলনায়ক আর্লিং হাল্যান্ড!

যার কাঁধে চেপে বিশ্বকাপে আসা, এরপর কোয়ার্টার ফাইনালে পা রাখা, সেই আর্লিং হাল্যান্ডই ভিলেন হয়ে দাঁড়ালেন। ধৈর্য হারিয়ে করে বসলেন একটা ফাউল, বাতিল হলো গোল। শেষ পর্যন্ত ওটাই মূলত পরাজয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াল নরওয়ের জন্য।

যার কাঁধে চেপে বিশ্বকাপে আসা, এরপর কোয়ার্টার ফাইনালে পা রাখা, সেই আর্লিং হাল্যান্ডই ভিলেন হয়ে দাঁড়ালেন। ধৈর্য হারিয়ে করে বসলেন একটা ফাউল, বাতিল হলো গোল। শেষ পর্যন্ত ওটাই মূলত পরাজয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াল নরওয়ের জন্য।

ম্যাচের ৫৭ মিনিটে নাটকীয় এক মুহূর্ত তৈরি হয়েছিল ইংল্যান্ডের বক্সে। কর্নার থেকে ভেসে আসা বল আলতো ছোঁয়ায় আলেক্সান্ডার সোরলথের সামনে নামিয়ে দেওয়া হয়। সোরলথের প্রথম শট দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন ইংল্যান্ড গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড। কিন্তু বিপদ তখনও কাটেনি। ফিরতি বল গিয়ে পড়ে টরবইয়র্ন হেগেমের সামনে। কোনো ভুল না করে বল জড়িয়ে দেন জালে। নরওয়ের খেলোয়াড়রা গোল উদযাপনে মেতে ওঠেন।

কিন্তু সেই আনন্দ স্থায়ী হয়নি বেশি সময়। গোলের পরই ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) কাছ থেকে সংকেত পান ম্যাচ রেফারি। রিপ্লেতে দেখা যায়, কর্নার থেকে বল ভেসে আসার ঠিক আগমুহূর্তে ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার এলিয়ট অ্যান্ডারসনকে জোরে ধাক্কা দেন আর্লিং হাল্যান্ড। সেই ধাক্কাতেই অ্যান্ডারসন নিজের অবস্থান হারান এবং নরওয়ে আক্রমণ গড়ে তোলার সুযোগ পায়।

কয়েক মুহূর্তের অপেক্ষার পর আসে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, গোল বাতিল। কারণ হিসেবে ধরা হয় হাল্যান্ডের সেই অব-দ্য-বল ফাউল। মুহূর্তেই উৎসব থেমে যায় নরওয়ের শিবিরে। ওটাই মূলত ম্যাচ থেকে ছিটকে ফেলে নরওয়েকে।

আর্লিং হাল্যান্ডের  গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে দলের ত্রাতা হওয়ার অসংখ্য নজির রয়েছে। কিন্তু এই ম্যাচে উল্টো তিনিই হয়ে গেলেন নরওয়ের সবচেয়ে বড় আক্ষেপের নাম। তেমন কোনো ইমপ্যাক্ট রাখতে পারেননি, বরং কর্নারের সময় অপ্রয়োজনীয় ধাক্কা দিয়ে দলকেই ডোবালেন।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link