পারেদেসকে ফাঁসাতে গিয়ে নিজেই ফাঁদে পরে দেখলেন লাল কার্ড

লাল কার্ড দেখেছেন ব্রিল এম্বোলো। মাথা নিচু করে মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন। এই দৃশ্য দেখে আপনার মনে কী অনুভূতি জাগে?

লাল কার্ড দেখেছেন ব্রিল এম্বোলো। মাথা নিচু করে মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন। এই দৃশ্য দেখে আপনার মনে কী অনুভূতি জাগে?

সহানুভূতি জাগতেই পারে। কারণ তখন কোয়ার্টার ফাইনালের ৭২তম মিনিট, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচ ১-১ সমতায়। এমন সময় লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হচ্ছে। দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে আর কোনো সাহায্য করতে পারবেন না। এমনকি বিশ্বকাপ যাত্রাটাই এখানেই শেষ হয়ে যেতে পারে। স্বাভাবিকভাবেই মনে হতে পারে, তিনি হয়তো নিজেকেই এর জন্য দায়ী ভাবছেন।

কিন্তু বাস্তবতা একটু ভিন্ন।

এম্বোলো কোনো দুর্ভাগ্যের শিকার হননি। তিনি নিয়েছেন সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয়, ব্রেন-ফেডেড একটি সিদ্ধান্ত। আর সেই সিদ্ধান্তেরই কর্মফল – লাল কার্ড।

ঘটনাটা কী ছিল?

বল তখন এম্বোলোর পায়ে। তিনি সামনে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। তাকে থামাতে পারেদেস এগিয়ে আসছিলেন। কিন্তু পারেদেস ট্যাকলে যাওয়ার আগেই হঠাৎ করেই এম্বোলো নিজে থেকে ডাইভ দেন।
রেফারি প্রথম মুহূর্তে বিষয়টি ভুলভাবে দেখেন। তিনি মনে করেন পারেদেস ফাউল করেছেন এবং পারেদেসকে হলুদ কার্ড দেখান। এরপর VAR পুরো ঘটনাটি পর্যালোচনা করে। তারা যাচাই করে, কার্ডটি ভুল খেলোয়াড়কে দেখানো হয়েছে কি না।

রিপ্লেতে পরিষ্কার দেখা যায়, পারেদেস আদৌ এম্বোলোকে স্পর্শই করেননি। এম্বোলো নিজেই ডাইভ দিয়ে পারেদেসের ছোয়া পেতে চেয়েছেন।
ফুটবলের নিয়ম অনুযায়ী, ডাইভিংয়ের শাস্তি হলুদ কার্ড। ফলে পারেদেসের হলুদ কার্ড বাতিল হয়, আর হলুদ কার্ড দেখানো হয় এম্বোলোকে।

সমস্যা হলো, এর আগেই এম্বোলোর নামে একটি হলুদ কার্ড ছিল।
ফলাফল দ্বিতীয় হলুদ কার্ড, তারপর লাল কার্ড। এখন প্রশ্নটা হলো, ম্যাচ যখন ১-১, কোয়ার্টার ফাইনালের মতো এমন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, তখন আগে থেকেই হলুদ কার্ড নিয়ে খেলা একজন ফুটবলার কেন এমন ঝুঁকি নিয়ে ডাইভ দিতে গেলেন?

লেখক পরিচিতি

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link