অস্ট্রেলিয়া সিরিজে এবাদত যাচ্ছেন কেন?

সর্বশেষ তিন টেস্টে উইকেট নিয়েছেন মোটে একটা। সর্বশেষ দুই টেস্টে একটাও না। এবাদত হোসেন ফর্মহীনতার একেবারে তলানিতে অবস্থান করছেন। প্রশ্নটা এখানেই। টানা ব্যর্থতার পরও কেন তাঁকে রাখা হলো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের জন্য?

সর্বশেষ তিন টেস্টে উইকেট নিয়েছেন মোটে একটা। সর্বশেষ দুই টেস্টে একটাও না। এবাদত হোসেন ফর্মহীনতার একেবারে তলানিতে অবস্থান করছেন। প্রশ্নটা এখানেই। টানা ব্যর্থতার পরও কেন তাঁকে রাখা হলো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের জন্য?

২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়া সফরে যাবে বাংলাদেশ। এটাই মূলত মানসিকভাবে একটা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশকে। তার ওপর কন্ডিশনের চাপ তো থাকছেই। মরার ওপর খাঁড়ার ঘা আবার ইনজুরি। যার খেসারত নাহিদ রানাকে হারিয়ে গুনতে হচ্ছে।

পেস ইউনিট নিয়ে তাই যথেষ্ট শঙ্কা জাগছে। অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে পেস প্রধান অস্ত্র হিসেবেই কাজ করবে। সেখানে এক্সপ্রেস পেসার নেই, তার ওপর এবাদত হোসেনের মতো ফর্মহীন একজনকে নিয়ে যাওয়ার যৌক্তিকতা কী?

এ বছর জিম্বাবুয়ে এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে দুটি টেস্ট খেলেছেন, উইকেট সংখ্যা শূন্য। শেষবার উইকেটের দেখা পেয়েছিলেন আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে গত বছর। তাঁকে নিয়ে সংশয় প্রকাশ করাটা তাই যৌক্তিকই বটে। তবে উপায় যে ছিল না।

টেস্টে পুরোনো বলে বল করার জন্য সবচেয়ে বিশ্বস্ত সেনানি দুজনই। একজন নাহিদ রানা, আরেকজন এবাদত। নাহিদ ইনজুরিতে ছিটকে যাওয়ায় এই জায়গা নিয়ে দুশ্চিন্তা বেড়েছে বাংলাদেশ শিবিরে। আর সমাধান হিসেবে এবাদত ছাড়া বিকল্প নেই। তাই তো ফর্ম না থাকলেও দলের সঙ্গে তাঁকে রাখতে বাধ্য হয়েছেন নির্বাচকরা।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link