প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি দিয়ে শুরু, দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে আরও এক সেঞ্চুরি। দেবদূত পাদ্দিকাল শ্রীলঙ্কায় খালি হাতে এসেছিলেন। তিন ইনিংসের ব্যবধানে এখন তিনি শিখরে। এতটাই উঁচুতে তাঁকে ছোঁয়া ভীষণ দায়।
ক’দিন আগেও তো কোথাও ছিলেন না। টেস্টে অভিষেকের পর শুধুই সামনে পড়ে ছিল বিভীষিকা। সেই পাদ্দিকাল আরও একবার সুযোগ পেলেন, আর সেটাকে এমনভাবে লুফে নিলেন যেন সব সমস্যার সমাধান তিনি।

ভারতের সবচেয়ে দুশ্চিন্তার জায়গা এই সিরিজের আগ পর্যন্ত ছিল তিন নম্বর পজিশন নিয়ে। সাই সুদর্শনকে অবশ্য বিনিয়োগ করছে ভারত, তাতেও খুব বেশি লাভের মুখ এখনও দেখা যায়নি। ইনজুরিতে এই সিরিজে নেই সুদর্শন, ওটাই আশীর্বাদ হয়ে এসেছে পাদ্দিকালের কাছে। প্রথম থেকেই জায়গাটা আপন করে নিলেন যেন।
১৬৩ রানের ইনিংস দিয়ে সূচনা। দ্বিতীয় ইনিংসের ৪৪ রানকে মন্দ বলা চলে না। আর দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১১৭ রানের ইনিংস। হাতে দুর্দান্ত সব স্ট্রোক আছে, রান তুলতে পারেন অনায়াসে, রক্ষণটাও দুর্দান্ত, একেবারে আধুনিক টেস্টে ভারসাম্য ধরে রাখা ব্যাটার। নতুন বল সামলাতে পারেন, বল পুরোনো হলে তো কথায় নেই। তিন নম্বরের জন্য এর চেয়ে ভালো সমাধান এখন অন্তত ভারতের হাতে নেই।
তিন ইনিংসে পাদ্দিকালের রান ৩২৪। গড় ১০৮। প্রতিপক্ষের মাঠে এমন দাপট দেখানো চাট্টিখানি কথা নয়। পাদ্দিকাল এখন পরিণত, মাথাটা কাজ করে ক্যালকুলেটরের মতো। পেস, স্পিন কোনোটাতেই খুব বেশি বেগ পেতে হচ্ছে না তাকে। তিন নম্বর পজিশনটা পাকাপাকিভাবেই কি তার প্রাপ্য নয়? অন্তত এই সিরিজের বিচারে জায়গাটা পাদ্দিকালের নামে লিখে দেওয়া উচিত।

Share via:










