ডাকের ‘লজ্জা’ নেই মুশফিকের!

মুশফিকুর রহিম, একমাত্র স্পেশালিস্ট ব্যাটার, যিনি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজে একবারও শূন্য রানে আউট হননি। তানজিদ তামিম থেকে লিটন দাস, সবাই ডাকের স্বাদ গ্রহণ করলেও একমাত্র মুশফিকই হেঁটেছেন ভিন্ন পথে।

মুশফিকুর রহিম, একমাত্র স্পেশালিস্ট ব্যাটার, যিনি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজে একবারও শূন্য রানে আউট হননি। তানজিদ তামিম থেকে লিটন দাস, সবাই ডাকের স্বাদ গ্রহণ করলেও একমাত্র মুশফিকই হেঁটেছেন ভিন্ন পথে।

অজিদের বিপক্ষে ডাকের ছড়াছড়ি দেখা গেছে বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে। বিশেষ করে দ্বিতীয় টেস্টে। প্রথম ইনিংসে চার ব্যাটারই ফিরেছেন শূন্য রানে। সাদমান ইসলাম, তানজিদ তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত এবং লিটন দাসের রানের খাতা খুলতে না পারার খেসারত ৬৪ রানে অলআউট হয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ।

দ্বিতীয় ইনিংসে অবশ্য তিনজন ফিরেছেন শূন্যতে। যার মধ্যে নতুন নাম মুমিনুল হক, যথারীতি লিটন এবারও রানের খাতা খুলতে পারেননি। আরেকজন বোলার শরিফুল ইসলাম। সেক্ষেত্রে তিনি এই হিসাবের বাইরে। প্রথম টেস্টে ফিরে গেলে দুই ইনিংস মিলিয়ে ডাক সংখ্যা ছিল দুটো। তামিম এবং লিটন, যার মালিক।

মোটকথা, বাংলাদেশের স্পেশালিস্ট ব্যাটারদের মধ্যেই সবাই ডাকের স্বাদ গ্রহণ করেছেন। ব্যতিক্রম কেবল মুশফিকই। প্রথম টেস্টে এক ইনিংস ব্যাট করতে পেরেছেন, সেখানে রান সংখ্যা ছিল ৩৬। দ্বিতীয় টেস্টে দুই ইনিংসে পাঁচ এবং ২৯ রান আসে ব্যাট থেকে। অর্থাৎ তিন ইনিংসের একটিতেও শূন্য নেই মুশফিকের নামের পাশে। বাকিদের যেখানে ডাকপ্রাপ্তি ঘটেছে, মুশফিকই কেবল স্পেশালিস্ট ব্যাটারদের মধ্যে ব্যতিক্রম।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

আফগান ঘূর্ণির মায়াজালে ধরাশায়ী হবে মিরাজ-রাজারা?

তবে স্পিনের লড়াইয়ে বাংলাদেশকেও খাটো করে দেখার অবকাশ নেই। দুই বছরের ওয়ানডে পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশের স্পিনাররা শিকার করেছেন মোট ৮২টি উইকেট। যদিও চলতি বছরে ১২ ম্যাচে স্পিন থেকে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ২৬ উইকেট, ২০২৫ সালে ১১ ম্যাচে রিশাদ, মিরাজ, তানভীর, নাসুমদের শিকার ছিল ৫৬ উইকেট। গত বছর বাংলাদেশের অধিকাংশ ম্যাচেই স্পিন সহায়ক উইকেট থাকলেও চলতি বছরে দলটি খেলেছে তুলনামূলক স্পোর্টিং উইকেটে। ফলে কন্ডিশনের সহায়তা পেলে বাংলাদেশের স্পিনাররাও যে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপে বিপর্যয় নামিয়ে আনতে সক্ষম, তার ইঙ্গিত মিলছে পরিসংখ্যানেই। রিশাদ হোসেনের আক্রমণাত্মক লেগ স্পিন, মেহেদী হাসান মিরাজের নিয়ন্ত্রিত অফ স্পিন, তানভীর ইসলামের বাঁহাতি অর্থোডক্স স্পিনের সঙ্গে নতুন সংযোজন রহস্য স্পিনার আলিস আল ইসলাম। বৈচিত্র্য আর কৌশলের সমন্বয়ে প্রতিপক্ষকে মরণকামড় দিতে মরিয়া থাকবে বাংলাদেশও।

Share via
Copy link