নেপালের মাঠ মাতাবেন এবার চার বাংলাদেশি

হিমালয়ের কোলে আবার জমে উঠছে ক্রিকেটের আসর। ২৬ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে এনপিএলের তৃতীয় মৌসুম, চলবে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত, মূল ভেন্যু কাঠমান্ডুর কীর্তিপুর। আর এবার সেখানে বাংলাদেশের প্রতিনিধি একজন দুজন নন, পুরো চারজন! সাকিব আল হাসান, আকবর আলী , আরিফুল ইসলাম ও জিসান আলম।

হিমালয়ের কোলে আবার জমে উঠছে ক্রিকেটের আসর। ২৬ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে এনপিএলের তৃতীয় মৌসুম, চলবে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত, মূল ভেন্যু কাঠমান্ডুর কীর্তিপুর। আর এবার সেখানে বাংলাদেশের প্রতিনিধি একজন দুজন নন, পুরো চারজন! সাকিব আল হাসান, আকবর আলী , আরিফুল ইসলাম ও জিসান আলম।

আন্তর্জাতিক ও ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টিতে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সাকিবকে সরাসরি দলে নিয়েছে পোখারা অ্যাভেঞ্জার্স। ড্রেসিংরুমে তাঁর থাকাটা দলের মনোবল বাড়াবে বলে আশা করছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

কর্নালি ইয়াকসের জার্সিতে দেখা যাবে আকবর ও আরিফুলকে। ২০২০ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জেতানো অধিনায়ক আকবরের এটাই প্রথম বিদেশি লিগ। টি-টোয়েন্টিতে ৮৬ ম্যাচে দুটি হাফ সেঞ্চুরিসহ হাজারের বেশি রান আছে এই উইকেটকিপার-ব্যাটারের, ২০২১ সাল থেকে বিপিএলে খেলেছেন পাঁচ দলের হয়ে, আর ২০২৫-২৬ মৌসুমের জাতীয় ক্রিকেট লিগ টি-টোয়েন্টিতে হয়েছিলেন টুর্নামেন্ট সেরা।

আরিফুলেরও দেশের বাইরে প্রথম ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট এটি। টপ এন্ড টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স দলের হয়ে সাত ম্যাচে ২১৯ রান করে নজর কেড়েছেন তিনি, গত বিপিএলে সিলেট টাইটান্সের হয়ে চার ম্যাচে করেছেন ৭৬ রান। টি-টোয়েন্টিতে ১৭ ম্যাচে তাঁর সংগ্রহ ৪২৭, আছে দুটি অর্ধশতকও।

একসময় বিদেশি লিগে বাংলাদেশি ব্যাটারদের দল পাওয়াই ছিল কঠিন, বোলাররা সুযোগ পেতেন কালেভদ্রে। সেই ছবিটা এখন অনেকটাই বদলে গেছে, প্রায় সব ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেই দেখা মেলে বাংলাদেশিদের। এবার নেপালে চারজনের তিনজনই আবার ব্যাটার, যাঁদের একজন সরাসরি চুক্তিতে, ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো এখন বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের ওপর ভরসা রাখছে, আর সেই গ্রহণযোগ্যতা যে বাড়ছে, নেপালের এই চারজনের দল পাওয়াটা তারই একটা প্রমাণ।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link