কেন্টের ভরসার জায়গা জুড়ে ঠাঁই পেয়েছে একটাই নাম, হাসান মাহমুদ। কেউ না পারলেও হাসান পারবে, কোনোভাবে উইকেট না পড়লে হাসান এসে ফেলে দেবে। এই বিশ্বাস যেন বুনে দিয়েছেন তিনি। কাউন্টি ক্রিকেটে নিজেকে এমন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন, হাসানকে ছাড়া কেন্ট এখন অসহায়।
ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে প্রথম দিনেই নিজের ঝলক দেখিয়েছেন হাসান। প্রথম দুই বলেই দুই উইকেট বাগিয়ে নিয়ে জানান দিয়েছিলেন, এই ম্যাচটাতেও দাপট চলবে তাঁর। শুধু ওই দুটো নিয়েই সন্তুষ্ট থাকেননি হাসান। আরও দুইখানা বাগিয়ে নিয়েছেন পরবর্তীকালে। প্রথম ইনিংসে সব মিলিয়ে নিয়েছেন চার উইকেট।

ব্যাটিংয়ে তাঁর দল খুব বেশি সুবিধা করে উঠতে পারেনি। ডার্বিশায়ারের ৩০০ রানের বিপরীতে ২১৯ রানেই গুটিয়ে যায় কেন্ট। ব্যাট হাতে ব্যর্থতার পর চাপ ছিল। প্রতিপক্ষের উইকেট দ্রুত তুলে ফেলতে হবে। সেই দায়িত্ব কে নেবে, ঘুরে ফিরে সেটা পড়ল হাসান মাহমুদের ঘাড়ে।
১১ রানের মধ্যেই হাসান উইকেট তুলে নেন। পরের উইকেটের জন্য কেন্টকে অপেক্ষা করতে হয় ১১০ রান পর্যন্ত। এই জুটি ভাঙার দায়িত্বও নেন হাসান। সর্বোপরি প্রথম তিন উইকেটের তিনটাই যায় হাসানের পকেটে। ৩৫২ রান দ্বিতীয় ইনিংসে তোলে ডার্বিশায়ার। হাসানের আর কোনো প্রাপ্তি যোগ ঘটেনি। তবে দুই ইনিংস মিলিয়ে সাত উইকেট লুফে নিয়ে আরও একবার নিজের সক্ষমতার নিদর্শন ঘটালেন তিনি।

এখন পর্যন্ত কেন্টের জার্সিতে হাসানের শিকার ২৬ উইকেট। এই দলের তিন জয়ে সরাসরি অবদান তাঁর। কেন্টের জন্য দিনে দিনে অপরিহার্য হয়ে উঠেছেন হাসান মাহমুদ। কাউন্টি ক্রিকেটে নিজের আলাদা রাজত্ব কায়েম করছেন।










