দুবাইয়ের মাঠে বল হাতে নিজের সেরাটা আরও একবার দেখালেন শ্রী চরণী। একা হাতে লণ্ডভন্ড করেছেন শ্রীলংকার ব্যাটিং লাইন আপ । ৪ ওভারে ২০ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন এই বাঁহাতি স্পিনার।
তাঁর শিকার তালিকায় ছিলেন হারশিথা সামারাবিক্রমা আর কাবিশা দিলহারি, যাঁদের সঙ্গে ভারতের পুরোনো হিসাব আছে। ২০২৪ সালের ফাইনালে এই দুজনই মিলে ভারতকে হারিয়ে শ্রীলঙ্কাকে প্রথম শিরোপা এনে দিয়েছিলেন, সামারাবিক্রমা করেছিলেন অপরাজিত ৬৯ আর দিলহারি অপরাজিত ৩০। এবারের সেমিফাইনালেও পাকিস্তানের বিপক্ষে দুজনে মিলে যোগ করেছিলেন ৬৭ রান, দলকে ফাইনালে তোলার পথ তৈরি করে দিয়েছিলেন। সেই সেমিফাইনালেই শেষটা টেনেছিলেন নিলাকশিকা সিলভা। কিন্তু ফাইনালে চারানির বলে সামারাবিক্রমা আর দিলহারি দুজনই ফেরেন দ্রুত, সঙ্গে সিলভাকেও ফিরিয়ে দেন তিনি।

এই বছরটা যেন চরণীর জন্য একটাই গল্প বলছে, বড় মঞ্চে তিনি জ্বলে ওঠেন। এই এশিয়া কাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৪ ওভারে ৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে হয়েছিলেন ম্যাচসেরা। বাংলাদেশের বিপক্ষে সেমিফাইনালে তুলে নেন নিজের ৫০তম টি-টোয়েন্টি উইকেট, মাত্র ২৯ ম্যাচে, যা কুলদীপ যাদবের রেকর্ড ভেঙে ভারতীয় হিসেবে দ্রুততম উইকেট শিকারি করেছে তাঁকে। ২০২৫ সালে নিয়েছিলেন ৩৫ উইকেট, এক ক্যালেন্ডার বছরে কোনো ভারতীয় বোলারের যৌথ সর্বোচ্চ। বর্তমানে টি-টোয়েন্টি বোলিং র্যাঙ্কিংয়েও তিনি বিশ্বের এক নম্বরে।
২২ বছর বয়সী এই স্পিনারের বাড়ি অন্ধ প্রদেশের কাদাপায়। ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলেন নিজের প্রদেশের হয়ে, গত বছর ভারতের বিশ্বকাপজয়ী দলেও ছিলেন তিনি।
ফাইনালে তাঁর ৪ উইকেটের সঙ্গে দীপ্তি শর্মার ৩ উইকেট মিলিয়েই গুঁড়িয়ে যায় শ্রীলঙ্কা, আর অস্টম বারের মতো এশিয়া কাপ নিজেদের করে নেয় ভারত।











