একপ্রান্তে যখন শেফালি ভার্মা তাণ্ডব চালাচ্ছেন, অন্য পাশে শান্ত এক নদী প্রবাহিত হচ্ছে নিজের মতো করে। স্মৃতি মান্ধানার মাথায় কোনো চাপ নেই, আগ্রাসন নেই, শুধু সময় আর সুযোগ বুঝে ব্যাট করার দায়িত্ব ছিল। যা পালন করেছেন একেবারে নিখুঁতভাবে, মাঝের রানখরা কাটিয়ে পেয়েছেন ফিফটির দেখাও।
গ্রুপ পর্বে হংকং দেখেছিল স্মৃতির দানবীয় রূপ। ১২৪ রান করেছিলেন সেই ম্যাচে। এবারের এশিয়া কাপের একমাত্র সেঞ্চুরির মালিকও তিনি। তবে ওটাই যেন শুরু এবং শেষের উপাখ্যান হয়ে থাকল। মাঝের দুই ম্যাচ ছিলেন নিজের ছায়া হয়ে।

তবে ফাইনালে আর চুপ করে থাকতে পারলেন না। জ্বলে উঠলেন আপন শক্তিতে। অবশ্য শুরুতেই নিজেকে খোলসবন্দী করে রাখেন। অন্য পাশে শেফালি তখন রাজ করছেন। স্মৃতি চুপচাপ সঙ্গ দিয়ে গেলেন তাঁকে।
তবে সময় গড়ানোর সাথে নিজেকে খোলস ছেড়ে বেরিয়েছেন। ৩৯ বল খেলে করেছেন ৫৮ রান। শেষটাতে অবশ্য ভাগ্যের নির্মমতা সঙ্গী হয়েছে স্মৃতির। হারমানপ্রীত কৌরের সাথে ভুল বোঝাবুঝিতে রানআউটে কাটা পড়েছেন। আক্ষেপ থাকলেও কাজের কাজটা ততক্ষণে সেরে ফেলেছেন তিনি। পাঁচ চার আর তিন ছক্কায় সাজানো ইনিংসের স্ট্রাইক রেট ছিল ১৫১।

শুরু এবং শেষে সাফল্য তাই মাঝের ব্যর্থতা ছাপিয়ে গেল। স্মৃতির ব্যাটে চড়ে ভারত পেয়েছে বড় সংগ্রহের ভিত। তাই তো বড় ম্যাচে বড় ছাপটা রেখে গেলেন স্মৃতি।









