বায়ার্নের নিখুঁত কৌশলে চূর্ণ ইউনিয়ন বার্লিন

নিখুঁত ট্যাকটিক্যাল এক্সিকিউশন এবং পজিশনাল ফুটবলের ভয়াবহ কার্যকারিতায় ইউনিয়ন বার্লিনকে ৭-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে চূর্ণ করে দিয়েছে বায়ার্ন।

নিখুঁত ট্যাকটিক্যাল এক্সিকিউশন এবং পজিশনাল ফুটবলের ভয়াবহ কার্যকারিতায় ইউনিয়ন বার্লিনকে ৭-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে চূর্ণ করে দিয়েছে বায়ার্ন। এটি কেবল একটি বড় জয় নয়, বরং আধুনিক হাই প্রেসিং অ্যাটাকিং ফুটবলের সামনে একটি লো ব্লক রক্ষণভাগ কতটা অসহায় হয়ে পড়তে পারে, তার নিখুঁত উদাহরণ।

বায়ার্ন মিউনিখ শুরু থেকেই অত্যন্ত চড়া ডিফেন্সিভ লাইনে প্রতিপক্ষকে চেপে ধরে। বল হারানোর সঙ্গে সঙ্গে কাউন্টার প্রেসিং চালিয়ে তারা প্রতিপক্ষকে বল পায়ে গুছিয়ে ওঠার কোনো সুযোগ দেয়নি।

মাইকেল ওলিসে ও জামাল মুসিয়ালা মাঠের হাফ স্পেসগুলোকে দারুণভাবে কাজে লাগিয়ে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের ফাঁদে ফেলেন। বিশেষ করে ওলিসের চমৎকার উইং প্লে ইউনিয়নের ফুলব্যাকদের পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় করে দেয়, যার সুফল হিসেবে তিনি তিন তিনটি গোল আদায় করেন।

অন্যদিকে হ্যারি কেন প্রথাগত স্ট্রাইকিং পজিশন থেকে নিচে নেমে পজেশন তৈরিতে ভূমিকা রাখেন, যা বায়ার্নের উইঙ্গারদের বক্সে ঢুকে পড়ার স্পেস তৈরি করে দেয়।

বিপরীতে ইউনিয়ন বার্লিন লো ব্লক ডিফেন্সে নির্ভর করে বায়ার্নকে রোখার যে ছক কষেছিল, তা পুরোপুরি ব্যর্থতায় রূপ নেয়। প্রেসিংয়ের মুখে তাদের খেলোয়াড়েরা বলের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে ব্যর্থ হন এবং দ্রুত পজেশন হারিয়ে একের পর এক আক্রমণের শিকার হন।

ভিন্সেন্ট কোম্পানির দ্রুতগতির ট্রানজিশনের সময় ইউনিয়নের ডিফেন্স লাইন তাদের ম্যান মার্কিং ধরে রাখতে পারেনি, যার ফলে উইং থেকে আসা ক্রস কিংবা থ্রু বলগুলোতে কোনো প্রতিরোধই গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি। আক্রমণভাগের এই নিখুঁত ফিনিশিং এবং মাঝমাঠের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের জোড়া ফলায় বায়ার্ন পুরো ৯০ মিনিট জুড়েই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

Share via
Copy link