বেটিংয়ে সম্পৃক্ততার অভিযোগে বিপাকে মোহাম্মদ রিজওয়ান!

বিচারক শেষপর্যন্ত রিট নাকচ করে দিলেও, রিজওয়ান নোটিশটির জবাব দিয়ে ফোন ফেরত পাওয়ার আবেদন জানিয়ে পত্র দিয়েছেন এজেন্সিকে। মাঠের বাইরে শুরু হওয়া এই ঝড় সামলে রিজওয়ান শেষপর্যন্ত কীভাবে ঘুরে দাঁড়ান, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

অনলাইন জুয়ায় সম্পৃক্ততার অভিযোগে ইংল্যান্ডে সফররত অবস্থায় পাকিস্তানের ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইমস ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনসিসিআইএ)-এর জেরার মুখে পড়েন পাকিস্তানি তারকা উইকেটকিপার-ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ান! তবে, এজেন্সির নোটিশে অনলাইন বাজি ও জুয়া সংক্রান্ত তদন্তের কথা বলা হলেও, জিজ্ঞাসাবাদের সময় অভিযোগ নিয়ে স্পষ্টভাবে তদন্তকারীরা কোনো ব্যাখ্যা দেননি বলে দাবি করেন রিজওয়ান। এমনকি হাইকোর্টে রিট করেও নিজের পক্ষে ফলাফল আনতে পারেননি।

ঘটনার সূত্রপাত মূলত সদ্য শেষ হওয়া ইংল্যান্ড সিরিজের লর্ডস টেস্টের পর।  কোনো আনুষ্ঠানিক নোটিশ ছাড়াই লর্ডস টেস্টের পর রিজওয়ানকে হোটেলের লবিতে ডেকে পাঠান তদন্তকারীরা।

সেখানে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এই ক্রিকেটারের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি কাস্টডিতে নেওয়া হয়। তিন ঘণ্টার মধ্যে তা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও, ফোন ফেরত পাননি রিজওয়ান। পাকিস্তানে ফেরার পর এজেন্সি লিগ্যাল নোটিশ পাঠায় তাঁকে। আইনজীবীর মতে, অসৎ উদ্দেশ্য নিয়েই এসব করা হচ্ছে। একইসাথে, রিজওয়ানের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগকে “সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন” বলে আখ্যা দেন তিনি।

ক্রিকেটে খেলোয়াড়দের দুর্নীতি-সংক্রান্ত যেকোনো মামলা নিষ্পত্তির ভার স্রেফ ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটের ওপর ন্যস্ত হওয়ার কথা থাকলেও, রিজওয়ানের বিষয়ে সংস্থাটির কাছে কোনো তথ্য কিংবা অভিযোগ পাঠায়নি পাক তদন্তকারী সংস্থা।

এদিকে, এ ঘটনার পর দেশে ফিরে রিট আবেদন দায়ের করেন রিজওয়ান। কিন্তু সেই আবেদন সরাসরি খারিজ করে দেন লাহোর হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

রিজওয়ান অবশ্য নোটিশটির জবাব দিয়ে ফোন ফেরত পাওয়ার আবেদন জানিয়ে পত্র দিয়েছেন এজেন্সিকে। মাঠের বাইরে শুরু হওয়া এই ঝড় সামলে রিজওয়ান শেষপর্যন্ত কীভাবে ঘুরে দাঁড়ান, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

লেখক পরিচিতি

সাব এডিটর

Share via
Copy link