জিম্বাবুয়েকে তুলোধুনো করলেন ট্রাভিস হেড!

ট্রাভিস হেড যেদিন ছন্দে থাকেন, সেদিন কি হতে পারে? ঝড় উঠতে পারে, বোলারদের জন্য আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যেতে পারে। জিম্বাবুয়ের বোলারদের তেমনই এক দুর্বিষহ ঝড়ের কবলে পড়তে হলো। ওয়ানডেতে বছর খানেক সেঞ্চুরি না পাওয়া ট্রাভিস হেড, ক্ষোভটা ঝাড়লেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

ট্রাভিস হেড যেদিন ছন্দে থাকেন, সেদিন কি হতে পারে? ঝড় উঠতে পারে, বোলারদের জন্য আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যেতে পারে। জিম্বাবুয়ের বোলারদের তেমনই এক দুর্বিষহ ঝড়ের কবলে পড়তে হলো। ওয়ানডেতে বছর খানেক সেঞ্চুরি না পাওয়া ট্রাভিস হেড, ক্ষোভটা ঝাড়লেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

ওয়ানডেতে সবশেষ শতক এসেছিল ২০২৫ সালের আগস্টে। মাঝে অবশ্য চার ম্যাচ খেলেছেন। বলার মতো কিছুই ছিল না। অবশেষে কথা বলল তাঁর ব্যাট।

৩২ বলে ফিফটি আসে। শুরুর এই আগ্রাসনই বলে দিচ্ছিল কী লেখা আছে প্রতিপক্ষের ভাগ্যে। টেস্টকে ওয়ানডে আর ওয়ানডেকে টি-টোয়েন্টি বানানো ট্রাভিস হেড শাসন করলেন আপন মনে। বল যেখানেই পড়ুক, তার বাসস্থান কেবলই সীমানার বাইরে।

মিচেল মার্শকে নিয়ে ওপেনিং জুটি থেকেই তুলে নেন ১৩০ রান। সতীর্থের বিদায়ের পর নিজের মতো করেই রানের চাকা সচল রাখেন। মাত্র ৭৫ বল লেগেছে তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার ছুঁয়ে দেখতে। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের অষ্টম শতকটাও ধরা দেয় ব্যাটে।

শেষমেশ যখন সাজঘরের পথ ধরলেন, নামের পাশে তখন ৮৪ বলে ১১২ রান। ১৫টা চার আর তিন ছক্কায় সাজানো ইনিংসের ১৩৩ স্ট্রাইক রেটটাও চোখধাঁধানো। অস্ট্রেলিয়াকে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দিয়ে তবেই জিম্বাবুয়ের বোলারদের একটুখানি স্বস্তি দিয়েছেন। সেই সঙ্গে নিজের ক্যারিয়ারের ৯০০০ আন্তর্জাতিক রানের মাইলফলকও ছুঁয়েছেন।

ট্রাভিস হেড তো এমনই। যেদিন খেলবেন, সেদিন কারো কিছু করার নেই। শুধু উপভোগ করতে হবে। বোলার নিয়মরক্ষার্থেই কেবল বল ছুড়বেন। আর হেড চওড়া ব্যাট দিয়ে সেটাকে পাঠাবেন বাউন্ডারির বাইরে। ক্রিকেট তো হেডের কাছে এটাই।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link