নিজের আলোয় আলোকিত খালেদ আহমেদ!

কেন্টে বাংলাদেশের যেই খেলুক না কেন, আলো ছড়াবেনই। এ যেন অঘোষিত এক সত্যে রূপ নিয়েছে। দুই ইনিংস মিলে আট উইকেট শিকার করা খালেদ আহমেদ সেই সত্যটার বাস্তবতা দেখালেন আরও একবার। যেন বললেন, 'হাসান মাহমুদ নেই তো কী হয়েছে, আমি তো আছি।'

কেন্টে বাংলাদেশের যেই খেলুক না কেন, আলো ছড়াবেনই। এ যেন অঘোষিত এক সত্যে রূপ নিয়েছে। দুই ইনিংস মিলে আট উইকেট শিকার করা খালেদ আহমেদ সেই সত্যটার বাস্তবতা দেখালেন আরও একবার। যেন বললেন, ‘হাসান মাহমুদ নেই তো কী হয়েছে, আমি তো আছি।’

সতীর্থের বিদায়ে যে জায়গাটা ফাঁকা হয়েছিল, নিজের আগুনঝরা বোলিংয়ে সেটাই যেন পূরণ করে দিলেন বাংলাদেশের এই ডানহাতি পেসার। কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে নিজের দ্বিতীয় ম্যাচেই বল হাতে এমন দাপট দেখালেন, হাসানের অনুপস্থিতি কেন্টকে বুঝতেই দিলেন না তিনি। এক ম্যাচে ৮ উইকেট নিয়ে খালেদ এখন কেন্টের ভরসায় পরিণত হয়েছেন।

কেন্টারবেরির সেন্ট লরেন্স গ্রাউন্ডে ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে ম্যাচের প্রথম দিন থেকেই শুরু হয় খালেদের তাণ্ডব। প্রথম ইনিংসে ল্যাঙ্কাশায়ারকে মাত্র ১৬১ রানে গুটিয়ে দিতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন তিনি। ১৫.৫ ওভার বল করে ৪২ রান খরচায় তুলে নেন পাঁচ উইকেট।

কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে এটি খালেদের প্রথম পাঁচ উইকেটের কীর্তি। তবে গল্পটা সেখানেই শেষ হয়নি। দ্বিতীয় ইনিংসে মাঠে নেমেই নিজের দ্বিতীয় বলে কিটন জেনিংসকে জ্যাক ক্রলির ক্যাচ বানান তিনি। এরপর মার্কাস হ্যারিসকে ফেরান ক্যাচে। এরপর আরও একখানা শিকার যায় নিজের ঝুলিতে।

 

হাসান মাহমুদ যখন জাতীয় দলের ডাকে দেশে ফিরলেন, তখন কেন্টের সামনে প্রশ্ন ছিল, তাঁর তৈরি করা শূন্যতা কে পূরণ করবে? উত্তরটা দিয়েছেন খালেদ আহমেদ। শুধু শূন্যতা পূরণই নয়, নিজের স্বকীয় পরিচয়টাও আলাদা করে দিয়েছেন।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link