ডি কককে হারিয়ে হ্যাজেলউডের জয়!

ক্রিকেট মাঠে দর্শক শুধু চার-ছক্কা দেখতে আসে না। ব্যক্তিগত দ্বৈরথও আন্দোলিত করে তাদের মনকে। দুইজন সেরা তারকার মনস্তাত্ত্বিক লড়াইটাই তো ক্রিকেটের আসল সৌন্দর্য। সেটাই দেখা গেল ডি কক এবং হ্যাজেলউডের কল্যাণে।

দুটো সেরা দল যখন মাঠে নামে, তখন খেলার মধ্যেও খেলা চলে। ব্যক্তিগত দ্বৈরথ দেখা যায়। আমরা যাকে সেয়ানে সেয়ানে লড়াই বলতে পারি। যেখানে কে ভালো কিংবা কে খারাপ, এসবের বিচার ছাপিয়ে দিনের সেরা কে, এটাই প্রাধান্য পায়। তেমনই এক লড়াই লড়লেন কুইন্টন ডি কক আর জশ হ্যাজেলউড। দ্য ফাইট অব টাইটানস। যদিও শেষটাতে ডি কককে ছাপিয়ে জয়ী নামটা হ্যাজেলউড।

ক্রিকেট মাঠে দর্শক শুধু চার-ছক্কা দেখতে আসে না। ব্যক্তিগত দ্বৈরথও আন্দোলিত করে তাদের মনকে। দুইজন সেরা তারকার মনস্তাত্ত্বিক লড়াইটাই তো ক্রিকেটের আসল সৌন্দর্য। সেটাই দেখা গেল ডি কক এবং হ্যাজেলউডের কল্যাণে।

সপ্তম ওভারের ঘটনা, হ্যাজেলউডের সামনে দাঁড়িয়ে ডি কক। প্রথম বলটা ডট গেল বটে, তবে ১৪০ কিলোমিটারের দ্বিতীয় বলটার ঠাঁই হলো গ্যালারিতে। টিপিক্যাল ডি কক শট। পরের বলে নিজেকে সামলে নিলেন হ্যাজেলউড। তবে চতুর্থ বলটার ঠিকানা আবার গ্যালারিতে। পুল করার মতো বল না হলেও সেটাকে ঠিকই পিক করে ছক্কায় পরিণত করলেন। লড়াইটা জমে উঠল, এই পর্যন্ত জয়ী ডি কক।

এরপরই হ্যাজেলউডের মাস্টারক্লাস। একই লেন্থের বল দিলেন, তবে সেটা অফ স্টাম্পের বাইরে। বিট হলেন ডি কক, হ্যাজেলউডও জবাব দিলেন। আগের বলে ছক্কা হাঁকিয়েছেন, পরেরটা পরাস্ত, হ্যাজেলউড ছক কষলেন। পরাজিত হওয়া ডি কক জিততে চাইবেন, বাউন্ডারি হাঁকানোর চেষ্টা করবেন। হ্যাজেলউড বলটা তাই একই লেন্থে রেখে অফস্টাম্পের থেকে আরও একটু দূরে ফেললেন। ব্যস, স্ল্যাশ করতে গিয়ে ডি কক ক্যাচ দিয়ে ফিরে গেলেন। ওভারের হিসাব দাঁড়াল, ১২ রান বিনিময়ে উইকেট।

ক্রিকেট এখানেই অনন্য। দুই কোয়ালিটিফুল ক্রিকেটারের জম্পেশ লড়াই হলো। এই দিনের জন্য একজন জিতলেন। তবে অন্য দিন হয়তো ডি কক জয়ী হবেন, আর পরাজিত নামটা হ্যাজেলউড। কে সেরা, এই হিসাব এখানে চলে না, দিনটা কার, সেটাই মুখ্য।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link