অলরাউন্ডার সাকিবের দাপট!

এখন দেশের ক্রিকেটে সাকিব কোথাও নেই। তবে গল্পটা বদলায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের মাইনর লিগে দ্যুতি ছড়িয়ে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। ব্যাট হাতে ২৬ রান আর বল হাতে তিন উইকেট নিয়ে সাকিব বুঝিয়ে দিলেন পিউর অলরাউন্ডার কাকে বলে।

একটা সময় ছিল, সাকিব আল হাসান মাঠে নামলেই বাংলাদেশের ক্রিকেটে একটা আলাদা গল্প তৈরি হতো। কখনো ব্যাট হাতে, কখনো বল হাতে, আবার কখনো দুটোতেই। এখন দেশের ক্রিকেটে সাকিব কোথাও নেই। তবে গল্পটা বদলায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের মাইনর লিগে দ্যুতি ছড়িয়ে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। ব্যাট হাতে ২৬ রান আর বল হাতে তিন উইকেট নিয়ে সাকিব বুঝিয়ে দিলেন পিউর অলরাউন্ডার কাকে বলে।

এদিন আগে ব্যাট করতে নামে সাকিবের দল আটলান্টা ফায়ার। চার নম্বরে নেমে নিজের কাজটা করে যান সাকিব। সমান দুটো করে চার আর ছক্কার সাহায্যে মাত্র ১৬ বলে খেলেন ২৬ রানের কার্যকর ইনিংস। তার দলও পায় ২০৫ রানের বিশাল পুঁজি।

২০৬ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য। আর সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নামতেই আটলান্টা লাইটেনিংয়ের আকাশে নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। প্রথম ওভারেই হাতে বল তুলে নেন সাকিব। প্রথম ওভারেই উইকেট। খরচ মাত্র ৩ রান। তিনি যেন ঘোষণা দিলেন, এই ম্যাচটাও যে নিজের করে নিতে নেমেছেন, প্রতিপক্ষের সামনে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করবেন।

নিজের দ্বিতীয় ওভারেও একই দৃশ্য। এবার তার শিকার লাইটেনিংয়ের অধিনায়ক মোনাঙ্ক প্যাটেল। একের পর এক আঘাতে লাইটেনিংয়ের ব্যাটিং অর্ডারে এমন ধস নামে যে মাত্র ২৭ রানেই চার উইকেট হারিয়ে বসে তারা।

সেখান থেকে ম্যাচটা আবার একটু একটু করে ঘুরতে শুরু করে। ৬৭ রানের জুটি গড়ে উঠলে কিছুটা চাপে পড়ে সাকিবের দল। তখনই বল হাতে আসেন সাকিব। জুটি ভাঙার দায়িত্বটাও শেষ পর্যন্ত নিজের কাঁধে তুলে নেন তিনি। নিজের তৃতীয় উইকেট তুলে নেন সাকিব।

শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে ১৫৮ রানেই থেমে যায় আটলান্টা লাইটেনিং। ৪৭ রানের জয় পায় আটলান্টা ফায়ার। এদিন বল হাতে চার ওভারে ৩১ রান দিয়ে নেন তিন উইকেট।

আগের ম্যাচেও তিন উইকেট পেয়েছেন মোটে চার রানের বিনিময়ে। ব্যাট হাতেও খেলেন ১৮ রানের ইনিংস। পরপর দুই ম্যাচে এমন পারফরম্যান্সই বলে দেয়, সাকিব এখনও অনবদ্য।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link