জাতীয় দলের জার্সিতেও থামেনি বার্সেলোনা তারকাদের রাজত্ব। ওয়েম্বলির রোমাঞ্চকর রাতে স্পেন ও ইংল্যান্ড – দুই শিবিরেই জ্বলজ্বল করেছে কাতালান ক্লাবের প্রতিনিধিদের নাম। উয়েফা নেশনস লিগের ৩-২ ব্যবধানের এই ম্যাচে জয় কিংবা হার যা-ই হোক না কেন, পুরো ৯০ মিনিটের গল্পটা মূলত রচনা করেছেন তিন বার্সেলোনা তারকা। লামিনে ইয়ামাল, অ্যান্থনি গর্ডন এবং রড্রি।
ম্যাচের শুরুতেই নিজের জাত চেনান স্প্যানিশ বিষ্ময় বালক লামিনে ইয়ামাল। দ্বিতীয় মিনিটেই ডান প্রান্ত থেকে একক দক্ষতায় ইংলিশ রক্ষণে ফাটল ধরিয়ে ম্যাচের প্রথম গোলটি আদায় করেন তিনি। স্পেনের পজিশনাল ফুটবলে দুই উইং প্রসারিত করে খেলার যে পরিকল্পনা ছিল, বল পায়ে দ্রুতগতি এবং অসাধারণ ড্রিবলিং দিয়ে তাঁর মূল রূপকার ছিলেন এই তরুণ উইঙ্গার।

স্প্যানিশ আক্রমণের মুখে ইংল্যান্ডকে খেলায় ফেরান বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ার পর থেকে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা অ্যান্থনি গর্ডন। ৩৬তম মিনিটে চমৎকার এক শটে ইংল্যান্ডের হয়ে সমতাসূচক গোলটি করেন তিনি। মাঠে থাকা ৭০ মিনিটে স্প্যানিশ ডিফেন্সের ওপর আধিপত্য বজায় রেখেছিলেন গর্ডন, যার ওপর ভর করেই প্রথমার্ধে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যেতে পেরেছিল স্বাগতিক ইংল্যান্ড।
অন্যদিকে মাঝমাঠের লাগাম নিজের হাতে রেখে স্পেনের জয়ের নেপথ্য নায়ক ছিলেন রড্রি। প্রথমার্ধে ইংলিশ হাই প্রেসিংয়ের ধাক্কা সামলে দ্বিতীয় অর্ধে ম্যাচের টেম্পো পুরোপুরি বদলে দেন তিনি। সতীর্থদের নিখুঁত পাসিং লাইন তৈরি করা এবং শেষ মুহূর্তে ইংল্যান্ডের কাউন্টার অ্যাটাকগুলো আটকে দিতে তাঁর ট্যাকটিক্যাল পজিশনিং ছিল এক কথায় অসামান্য।

আন্তর্জাতিক বিরতিতে যাওয়ার আগে বার্সেলোনা মাঠে একের পর এক দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছে। আর জাতীয় দলের জার্সি গায়েও বার্সা তারকাদের এমন চোখধাঁধানো ফর্ম যেন সেই ধারাবাহিকতাই বজায় রাখল।











