টি-টোয়েন্টি উগান্ডার থেকেও পিছিয়ে বাংলাদেশ। এই কথাটা শুনে মাথায় বাজ পড়ার উপক্রম হওয়ার কথা অনেকেরই। আরও চমকে দেওয়া তথ্য টি-টোয়েন্টিতে সময়ের সেরা ভারতও পিছিয়ে আছে উগান্ডার চেয়ে। জয়-পরাজয়ের অনুপাত অন্তত সে কথায় বলে।
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের পরিসংখ্যান খুব একটা স্বস্তিদায়ক নয়। ২২২ ম্যাচে জয় মাত্র ৮৯টি! জয়-পরাজয়ের অনুপাতও একের নিচে, ০.৬৯৫। এই পরিসংখ্যান নিয়ে সেরা দশেও ঠাঁই পায়নি লাল সবুজের পতাকাবাহীরা। অথচ টি-টোয়েন্টিতে উগান্ডার পরিসংখ্যান ঈর্ষনীয়!
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অন্তত ১০০ জয় আছে মাত্র ৯টি দলের। সেই তালিকায় নবম স্থানে থাকা উগান্ডার জয় ১০১টি। এখন পর্যন্ত ১৩১টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলেছে আফ্রিকার দেশটি। অর্থাৎ প্রতি একটি হারের বিপরীতে ৩.৭৪টি ম্যাচ জিতেছে তারা। এই পরিসংখ্যানে উগান্ডার ধারেকাছেও নেই অন্য কোনো দল।

২০০ জয়ের মাইলফলক ছুঁয়েছে ভারত। এই কীর্তি গড়তে ৩০০টি ম্যাচ খেলতে হয়েছে তাদের। জয়ের হার ৭১.২০ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জেতা ভারতের জয়-পরাজয়ের অনুপাত ২.৪০৯। অর্থাৎ এই হিসাবেও উগান্ডার চেয়ে পিছিয়ে আছে ভারত।
১০০ জয় পাওয়া বাকি দলগুলো হচ্ছে পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আর শ্রীলঙ্কা! যদিও কেবল পরিসংখ্যান দেখলেই হবে না, প্রতিপক্ষও বিবেচনায় রাখা চাই। উগন্ডা যাদের সঙ্গে খেলে, তারা মূলত ক্রিকেট বিশ্বে ছোট দল হিসেবেই পরিচিত।
পূর্ণ সদস্যদেশগুলোর বিপক্ষেও উগান্ডার খেলার অভিজ্ঞতা খুব বেশি নয়। ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হয়েছিল তারা। এ ছাড়া আফগানিস্তানের বিপক্ষে একটি এবং জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ খেলেছে দলটি। পূর্ণ সদস্যদেশগুলোর বিপক্ষে এই পাঁচ ম্যাচই উগান্ডার অভিজ্ঞতার ঝুলিতে আছে।
উগান্ডার জয়-হারের অনুপাত অনেকটাই নজর কাড়া। তবে সংখ্যার পাশাপাশি প্রতিপক্ষের মান ও ম্যাচের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় রাখাও জরুরি। উগান্ডা এখনো ক্রিকেটের বড় শক্তি হয়ে ওঠেনি, কিন্তু তাদের পরিসংখ্যান বলে দেয়, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দলটিকে একেবারে উপেক্ষা করার মতোও না।












